ওঙ্কার ডেস্কঃ বাংলায় ভোট দরজায় কড়া নাড়ছে। শাসক বিরোধী দুই শিবিরই ভোট যুদ্ধে সামিল হয়েছে। বিজেপি রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রার ডাক দিয়েছে। সেই মতো রাজ্যের নানান প্রান্তে পরিবর্তন যাত্রা শুরু করেছে বিজেপি। কিন্তু সেই যাত্রাপথে লোক কম। এখন এই ইস্যুতেই বঙ্গ বিজেপির নেতাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।
ভিনরাজ্য থেকে হাই প্রোফাইল নেতা থেকে মুখ্য।মন্ত্রীকে এনে বক্তৃতা করিয়েও মাঠ ভরছে না। শমীক থাকলেও লোক কম হওয়ার আশঙ্কায় কলকাতার সভায় থাকলেনই না মিঠুন। চেয়ার ফাঁকা, মাঠ ফাঁকা, এমোণ অবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা আওয়াজ তুলে পরিবর্তনের ডাক দিলেন শমীক।
বৃহস্পতিবার লালগড়ে ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’য় নির্ধারিত সময়ে রথ না পৌঁছনো এবং ভিড় কম থাকায় হতাশা দেখা যায় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেই। পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থেকে বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’র সূচনা হয়েছিল। সেই রথ বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম জেলায় ঢোকে। লালগড়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পরে রথ পৌঁছয়। ফলে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও রথ না আসায় অনেক কর্মী-সমর্থক হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। ফলে লালগড়ে যখন দিলীপ ঘোষ বক্তব্যক রাখছেন, তখন সেখানে গুটিকয় মানুষ।
হাওড়ার শ্যামপুরে পরিবর্তন যাত্রায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এই নির্বাচন বাংলাকে বাঁচানোর নির্বাচন। রাজ্যজুড়ে বিজেপির ঝড় বইছে। তৃণমূল এবার জিততে পারবে না। কিন্তু এত গর্জনের পরও বিজেপির ঝড় দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না বলেই জানাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
ক্যানিংয়ের বাহিরসোনা এলাকায় উপস্থিত হয়ে বিজেপির ‘সংকল্প পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা করলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। সেখানেও তেমন সাড়া ছিল না। উত্তর ২৪ পরগনা বিভাগের হিঙ্গলগঞ্জে ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।
