ওঙ্কার ডেস্ক: নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার রাতে তামিলনাড়ুর মাদুরান্তাকামের কাছে একটি জলাশয়ের কাছে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ওঠে। অভিযুক্তদের মধ্যে এক জন দাগি অপরাধী রয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে, তিরুভেরকাডুর বাসিন্দা ‘কাক্কা’ বালাজি নামের দাগি অপরাধীকে বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয়। চেঙ্গালপাট্টু জেলা পুলিশের অফিসিয়াল ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় অভিযুক্তের নাম ওয়াই ধামু ওরফে ধামোদরণ (২৫); সে মারিপুথুরের বাসিন্দা। তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই কিশোরী দুই বন্ধুর সঙ্গে বাইকে চেপে যাচ্ছিল। দুই বন্ধুর মধ্যে একজন ১৭ বছর বয়সী কিশোর এবং অন্য জন ১৬ বছর বয়সী কিশোর। তিন জনে বাইকে চেপে তাম্বারাম থেকে মাদুরান্তাকামের কাছে কিলাকানদাই গ্রামে যাচ্ছিল। পথে দেবাতুরের কাছে অন্য একটি দু-চাকা তাদের পিছু নেয়। এক সময় দুজন ব্যক্তি তাদের পথ আটকায়।
পিছু নেওয়া ব্যক্তিদের হাত থেকে বাঁচতে বাইকচালক কিশোরটি গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু একপর্যায়ে সে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং বাইকটি উল্টে যায়। এরপর ওই দুই ব্যক্তি তাদের খুব কাছে চলে আসলে, বাইকচালক কিশোর এবং অন্য কিশোরীটি বাইক নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তবে দুর্ঘটনার ফলে জখম হওয়া ১৪ বছর বয়সী কিশোরীটি সেখানেই আটকে পড়ে। অভিযোগ, ঘটনার সময় ওই দুই ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় ছিল। তারা কিশোরীকে টেনেহিঁচড়ে একটি জলাশয়ের কাছে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে। পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতা কিশোরী কোনও ভাবে চেঙ্গালপাট্টু সরকারি হাসপাতালে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছে ঘটনার কথা জানালে হাসপাতাল পুলিশকে খবর দেয়।মেলমারুভাত্তুর মহিলা পুলিশ থানা একটি মামলা দায়ের করে এবং তদন্তের জন্য চারটি বিশেষ দল গঠন করেছে। অভিযুক্ত দুজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
