ওঙ্কার ডেস্ক: ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে এবং তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল মার্কিন সেনা। সেই অভিযানে রহস্যময় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল বলে আগেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এই আবহে এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, এই অস্ত্র আর অন্য কোনও দেশের কাছে নেই।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অপহরণের সময় ‘রহস্যময়’ অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে বলে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন মাদুরোর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক সেনা কর্তা। সেই ‘রহস্যময়’ অস্ত্র নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার সামরিক অভিযানে মার্কিন সেনা গোপন অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ওই দিন মার্কিন সেনা যে অস্ত্র প্রয়োগ করেছিল তা অন্য কোনও দেশের কাছে নেই। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে অস্ত্র প্রয়োগ করেছে, এটার সম্পর্কে কেউ কিছু জানে না।’ শুধু তাই নয়, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সেনার সামরিক অভিযানকে ‘দুর্দান্ত এবং অভূতপূর্ব আক্রমণ’ বলে অভিহিত করেছেন ট্রাম্প।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুর দিকে গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়েছিল মার্কিন সেনা। সেই অভিযানে প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযান নিয়ে মাদুরোর সেনা আধিকারিক বলেন, ‘সামরিক অভিযান হওয়ার আগে পর্যন্ত কিছু বুঝতে পারিনি আমরা। কোনও আঁচ পায়নি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তায় থাকা কর্মীরাও। আচমকা আমাদের রেডার ব্যবস্থা কাজ করা বন্ধ করে দেয়। কী হচ্ছে, কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না।’ কিছুক্ষণের মধ্যে প্রেসিডেন্টের সেফ হাউসের কাছে এক ঝাঁক ড্রোন উড়ে আসে। এর পরই প্রায় ১০টি হেলিকপ্টার আসে প্রেসিডেন্টের হাউসের কাছে। সেগুলি থেকে ২০ জন মতো নেমে আসেন আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে।’ কিছু ক্ষণের মধ্যে জোরালো শব্দ হয় যার পর নাক থেকে রক্ত বেরোতে থাকে। লুটিয়ে পড়েন অনেকে। অনেকে দাবি করেন ওই সময়, ‘সোনিক ওয়েপন’ ব্যবহার করেছিল মার্কিন সেনা।
