স্পোর্টস রিপোর্টার : সেই পুরোনো ইস্টবেঙ্গল। সেই পুরোনো রোগ। তীরে এসে তরী ডুবলো জেতা ম্যাচ ড্র করে। ১ পয়েন্ট নিয়ে বাড়ি ফিরলো টিম লাল হলুদ। ম্যাচের ফলাফল ১-১। দুর্বল কেরালা কাছে হেরে খেতাবের দৌড়ে অনেক পিছিয়ে গেলো তারা। একইসঙ্গে কোচ অস্কার ব্রুজোর ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেলো। গ্যালারিতে স্লোগান উঠলো গো ব্যাক অস্কার। কেরালার বিরুদ্ধে জঘন্য ফুটবল খেললো তারা।
এদিন লাল হলুদ দলের পিভি বিষ্ণু ও সল ক্রেসপো দলে আসেন। লালচুংনুঙ্গা আর নওরেম মহেশ সিংয়ের জায়গায়। ৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল পায় ইস্টবেঙ্গল। এডমুন্ড বক্সের ভিতরে বল পেয়ে সেটি পাস করেন এজ়েজারিকে। স্প্যানিশ ফুটবলারের সামনে তখন শুধু বলটা জালে ঠেলে দেওয়াই বাকি ছিল, কিন্তু তাঁকে ফাউল করে ফেলে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গেই রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। এজ়েজারিকে ফাউল করে আইবন হলুদ-কার্ড দেখেন। তবে গোল করে উচ্ছসিত হয় ইস্টবেঙ্গল। এরপরও গোলের সুযোগ আসে ৩০ মিনিটে মিগুয়েল উপরে ওঠা একটি লম্বা বল ধরে ফেলেন। তিনি বাঁ-দিক থেকে বক্সের ভিতরে ঢুকে গোলের দিকে শট নেন। তবে ফালুর চাপের মুখে পড়ে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারের শটটি শেষ পর্যন্ত গোলের বাইরে চলে যায়।

৩৮ মিনিটে ডান দিক থেকে একটি ক্রস ভেসে আসে, কেরালার দানিশ বলটিতে মাথা ছোঁয়ান। তিনি ঠিক করে হেডটি নিতে পারেননি। যে কারণে বলটি ঠিক সময়ে নিচে নামেনি শেষ পর্যন্ত মাঠের বাইরে চলে যায়। ৪৪ মিনিটে একটি কর্নার থেকে হেড নিয়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের হয়ে প্রায় সমতা ফেরানোর কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন ফালৌ। তিনি দারুণ ভাবে বলটিকে দূরের পোস্টের দিকে পাঠান, তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে খুব অল্পের জন্য বলটি বাইরে চলে যায়। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে। ৬৮ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল একটি কর্নার পায়। মিগুয়েল বলটি বক্সের মধ্যে তোলার বদলে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা রশিদের দিকে পাস দেন। বোঝাই যাচ্ছিল, এটি অনুশীলনে করা একটি পরিকল্পিত মুভ। রশিদ প্রথম টাচেই শট নেন। বলটি জালে জড়ালে ‘গোল অব দ্য সিজন’-এর অন্যতম দাবিদার হতে পারত, তবে অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। খেলার অতিরিক্ত সময়ে ৯২ মিনিটে এভিংয়ের ক্রস থেকে মহ আসলাল। গ্যালারি জুড়ে নিস্তব্ধতা। হতাশ সর্মথকরা। এবারেও নিভলো মশাল।
