নিজস্ব প্রতিনিধি : নিরাপত্তা কর্মীরা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে একের পর এক ধর্ষণের অভিযোগ উঠছে। গত ২৫ জুন দক্ষিণ কলকাতার কসবা ল’ কলেজের পর ১১ জুলাই কলকাতারই দক্ষিণে জোকা আইআইএমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। কসবার পর জোকার ঘটনাতেও নিরাপত্তা কর্মীদের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। তবে আদতে যে নিরাপত্তা কর্মীদের কিছু করার নেই সেই বিষয়ে এক মত সমাজ পর্যবেক্ষকদের একাংশ। কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা কর্মী থাকলেও তাঁরা কার্যত প্রভাবশালীদের দাপটে ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ হয়ে থাকতে বাধ্য হন।
প্রভাবশালী হিসেবে অবতীর্ণ হন কখনও কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের দাদা, তো কখনও আবার কলেজের সিনিয়র পড়ুয়া। আইআইএম জোকার ক্ষেত্রে ঠিক কী ঘটেছিল তা তদন্ত করছে পুলিশ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তারক্ষী জানাচ্ছেন আদতে তাঁদের কিছু করার থাকে না। কারণ কোনও পড়ুয়া যদি কোনও পড়ুয়ার সঙ্গে ঘরের মধ্যে যায় সেক্ষেত্রে তাঁদের কী করার থাকতে পারে !
আইআইএম জোকার এক নিরাপত্তারক্ষীর প্রশ্ন, ‘কোনও পড়ুয়া কোনও ঘরে ঢোকার পরে কী ঘটছে, তা কী ভাবে দেখবে নিরাপত্তা কর্মী ? নিরাপত্তারক্ষীরা কি প্রতিটা স্টুডেন্টকে চেনেন ?’
উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে জোকার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট ক্যালকাটার বয়েজ হস্টেলে ডেকে নিয়ে গিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্র তাঁকে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ তরুণীর। অভিযুক্ত দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারীরা।
