স্পোর্টস রিপোর্টার : পয়সা উসুল মোহনবাগানের। যুবভারতীতে ওড়িশা এফসিকে ৫-১ গোলে হারিয়ে পরপর ৪ ম্যাচে জয় পেলো টিম বাগান। মহামেডানের পর এই ম্যাচেও ৫-১ গোলে জয়। জেমি ম্যাকলারেনের ৪ গোল। ম্যাচের ১৪ মিনিটে পেত্রাতোস বুদ্ধি করে একটি ব্যাক হিল পাস দেন শুভাশিসকে। শুভাশিস সেখান থেকে দারুণ একটি ক্রস তোলেন ম্যাকলারেনের দিকে। আর জেমি এমন সুযোগ খুব কমই হাতছাড়া করেন। ২৩ মিনিটে ম্যাকলারেন দ্বিতীয় গোল করেন। ডানদিক দিয়ে আক্রমণে উঠে লিস্টন বল দারুণ ভাবে কন্ট্রোল করে পাস বাড়ান জেমির দিকে। দ্বিতীয় গোল করতে কোনও ভুল করেননি তিনি।
আলবার্তোর দুরন্ত গোলে ৩-০ করে ফেলল মোহনবাগান। বক্সের বাইরে প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে নিচু, কিন্তু জোরালো শট নেন আলবার্তো। বল সোজা জালে জড়ায়। নিঃসন্দেহে দুরন্ত একটি গোল।
এরপর ২৮ মিনিটে হ্যান্ডবলের দাবি ওঠে কোলাসো ডান দিক থেকে বক্সের ভেতরে ক্রস দেন। সেই বল ধরে পেত্রাতোস শট নেন। তবে সেই শট আটকে যায়। কিন্তু মোহনবাগানের প্লেয়াররা হ্যান্ডবলের দাবি জানান। তবে রেফারি গুরুত্ব দেননি। এরপর আলবার্ত তৃতীয় গোল করলেন মোহনবাগানের। এরপর ৪৩ মিনিটে ওড়িশা গোল শোধ করে। যদিও ৪৬ মিনিটে বিরতির আগে আরও একটি গোল করে নেয় মোহনবাগান । হ্যাটট্রিক করে ফেললেন জেমি ম্যাকলারেন। বক্সের ভিতরে ম্যাকলারেনকে লক্ষ্য করে লিস্টন কোলাসো আরও একটি মাপা ক্রস বাড়ান। আর জেমিও গোল করতে কোনও ভুল করেননি। ৪-১ করল মোহনবাগান। প্রসঙ্গত, ভারতে আসার পর এটাই ম্যাকলারেনের প্রথম হ্যাটট্রিক।
প্রথমার্ধ শেষ হয় ৪-১ ব্যবধানে। সেকেন্ড হাফে ৫৭ মিনিটে ফের গোলের সুযোগ নষ্ট করে মোহনবাগান । বাঁ-দিক থেকে একটু সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেন লিস্টন। কিন্তু অমরিন্দর বল ধরে ফেলেন। ৮৮ মিনিটে ফের গোল করে টিম বাগান। একটি থ্রু-বল ধরে গোলের সুযোগ ছিল রহিম আলির সামনে। কিন্তু তিনি সেই সুযোগ নষ্ট করেন। ঠিক তার পরেই জেমি ম্যাকলারেন একই ধরনের সুযোগ পান। তিনি দু’বার বল টাচ করে জোরে শট নেন এবং বলটি অমরিন্দর সিংয়ের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ান। পরপর ৪ ম্যাচে জয়ে পেয়ে টেবিল শীর্ষে থেকে বেশ চনমনে টিম বাগান।
