ওঙ্কার ডেস্ক : প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র তাঁর আইকনিক ছবি ‘শোলে’-এর চিত্রগ্রাহককে স্মরণ করলেন, শ্রদ্ধা জানালেন। রবিবার তাঁর ইনস্টাগ্রামে গিয়ে ‘শোলে’-এর চিত্রগ্রাহক প্রয়াত দ্বারকা দিবেচা-র সঙ্গে তাঁর একটি পুরনো ছবি শেয়ার করেছেন ধর্মেন্দ্র।
ক্যাপশনে প্রয়াত শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি নোটও লিখেছেন তিনি। সেই সঙ্গে তাঁর অনুরাগীদের ডিওপি-র জীবনীর পাতাগুলি ঘুরে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “শোলে-রসিনেমাটোগ্রাফির পরিচালক প্রয়াত শ্রী দ্বারকা দিবেচা সর্বদা আমাদের ভালোবাসার সঙ্গে একাত্ম ছিলেন। ক্যামেরার পিছনের মানুষদের খুব কমই উল্লেখ করা হয়, যদিও তাঁরা আমাদের রূপালী পর্দায় নিয়ে আসেন। দয়া করে তাঁর জীবনীটি পড়ুন”।
দ্বারকা দিবেচাও একজন অভিনেতা ছিলেন। ‘সিঙ্গাপুর’ ছবিতে শাম্মী কাপুর, পদ্মিনীর সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। তিনি ‘শোলে’-এর সেট তৈরিতেও জড়িত ছিলেন। যা হিন্দি সিনেমার প্রথম ওয়েস্টার্ন স্প্যাগেটি ছবি হিসেবে বিবেচিত হয়। এতে ধর্মেন্দ্র, অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চন, আমজাদ খান, সঞ্জীব কুমার, এ. কে. হাঙ্গাল, শচীন এবং হেমা মালিনী অভিনয় করেছিলেন। এর জাঁকজমক অভিনয়, কারিগরি দক্ষতা, অ্যাকশন, সঙ্গীত এবং পরিচালনার জন্য সিনেমা জগতের অন্যতম সেরা সিনেমা হয়ে উঠেছিল। ২০০২ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সর্বকালের “শীর্ষ ১০ ভারতীয় চলচ্চিত্র” জরিপে এটি শীর্ষে ছিল। ছবিটি কিংবদন্তি চিত্রনাট্যকার জুটি সেলিম-জাভেদ লিখেছিলেন।
পরবর্তী কালে ভারতীয় সিনেমার দীর্ঘতম চলমান চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে একটি হয়ে ওঠে। এর আগে, আইকনিক ছবি ‘শোলে’-এর পরিচালক রমেশ সিপ্পি একটি আকর্ষণীয় ঘটনা শেয়ার করেছিলেন যখন তিনি ছবিটি মুক্তির সময় প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখেছিলেন।
ছবিটির ৫০তম বার্ষিকীর আগে পরিচালক আইএএনএস-এর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি আইএএনএসকে বলেন, “একজন সিনেমা হলের লোক আমাকে ফোনে বলেছিলেন, ‘আমার সিনেমা হলে আসুন’। এটি ছিল সিটি লাইট সিনেমা। তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি কি সেখানে দেখতে পাচ্ছ? এখানে কেউ কোল্ড ড্রিঙ্ক খেতে আসছে না।’ বিরতি ছিল। কেউ আসেনি”।
“তিনি বললেন, ‘তুমি কি জানো কেন? কারণ হলের ভেতরে যারা ছিলেন তারা খুব মনোযোগী ছিলেন। তারা এমন আচরণ করছিলেন যেন তারা কখনও এরকম কিছু দেখেননি’। আমি বললাম, ‘তুমি কি নিশ্চিত?’ পরিচালক বলেন, ‘অবশ্যই। আমি প্রতিদিনই এটা দেখি। তারা বিরতিতে আসে না”।
