ওঙ্কার ডেস্ক: প্রথমে আংটি বদল তারর আইনি বিয়ে সেরেছিলেন গত বছরেই। সম্প্রতি সামাজিক মতে অগ্নিসাক্ষী রেখে সাতপাকে বাঁধা পড়লেন সমাজমাধ্যমের জনপ্রিয় জুটি সুকান্ত কুণ্ডু এবং অনন্যা গুহ। মাসকয়েক ধরেই বিয়ের প্রস্তুতির নানা ঝলক সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরছিলেন হবু দম্পতিরাই। এবার অবশেষে ঘটল মধুরেণ সমাপয়েৎ। বিয়ের রীতি-আচার, সাজসজ্জা থেকে খানাপিনা, সবেতেই ছিল বাঙালিয়ানা। বিতর্ক সরিয়ে দুই বন্ধুর বিয়েতে দেখা গিয়েছিল সায়ক চক্রবর্তীকেও। এদিন সকালেই গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে অনন্যা-সুকান্তর নানা রোম্যান্টিক মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি হয়। কিন্তু এই আনন্দমুহূর্তের মাঝেই বিয়ে নিয়ে নানা কটাক্ষ, সমালোচনার নেটপাড়ায়।
অনন্যা-সুকান্তর বিয়েতে হাজির থাকা ছবিশিকারীদের দাবি, বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁদের সঙ্গে সঠিক আচরণ করা হয়নি। ভাইরাল হওয়া একাধিক পোস্টে দাবি, শৌচালয়ে যেতে গেলেও বাউন্সার নিয়ে যেতে হচ্ছিল। এমনকী তাঁদের জন্য কোনও জলও রাখা হয়নি। অভিযোগের তালিকা অবশ্য এখানেই শেষ নয়! খবর, বিয়ের আসরে যাতে অনন্যা-সুকান্তর ছবি তুলতে না পারেন ছবিশিকারীরা, তার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রের মতো কড়া পাহাড়ায় রাখা হয়েছিল বাউন্সারও। অনুষ্ঠানের শুরুর দিকে কোনও গোলমাল না হলেও দুই পক্ষের বাড়ির লকেরা উপস্থিত হলে ছবিশিকারীদের সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরিবর্তে তাঁদের ঠাঁই হয় রাস্তায়। একাংশের অভিযোগ, খাওয়ার ব্যবস্থা তো দূরঅস্ত, এক গ্লাস জল চেয়েও পাওয়া যায়নি! তবে বিতর্ক এখানেই শেষ নয়! তাঁদের আরও অভিযোগ, প্রথমটায় ঠিক হলেও পরে তাঁদের জানানো হয়, আগে অনন্যা নিজে তার ভ্লগে লুক রিভিল করবেন, তারপর দিন তিনেক পর ছবিশিকারীরা অনুমতি পাবেন। এহেন নানা অভিযোগে সোশাল পাড়ায় আপাতত অনন্যা-সুকান্তর বিয়ে নিয়ে চরম বিতর্ক! যদিও শুধুই বিতর্ক নয় একাংশ আবার ‘অযত্ন বা অভব্য আচরণে’র তত্ত্বে সায় দিতে নারাজ! তাঁরা নববিবাহিত দম্পতিকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। তবে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কানাঘুষো, অভিনেত্রীর বাগদানের দিনও নাকি এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে এই বিয়ের আসরের কান্ড ভাইরাল সমাজমাধ্যমে।
