ওঙ্কার ডেস্কঃ ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের মুখে দেশ। যুদ্ধের আবহে তেল সরাবরাহ কমায় চিন্তিত কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। আগামী দিনে সংকট আরও গুরুতর হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অতি প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ আইন অর্থাৎ এসমা জারি করল কেন্দ্র। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সাফ বলে দেওয়া হল, এবার থেকে গ্যাসের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
কেন্দ্র সরকার আগেই জানিয়েছিল, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইচ্ছামতো গ্যাস বুকিং করা যাবে না। প্রথমে বলা হয়, ২১ দিন অন্তর অন্তর গ্যাস বুক করা যাবে। মঙ্গলবার সেই নিয়মও বদলে বলা হয়েছে। এখন থেকে ২৫ দিনের ব্যবধানে গ্যাস বুকিং করতে হবে। কেন্দ্রের দাবি, এলপিজি গ্যাসের বাড়তি মজুত এবং কালোবাজারি রুখতেই বুকিং-সময়সীমা ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে।
সংকটের পরিস্থিতিতে কোন কোন ক্ষেত্রকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে, তা বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও স্বাভাবিক থাকবে পিএনজি। যে গ্যাস সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়ির রান্নাঘরে পৌঁছায়, সেই পরিষেবায় প্রভাব পড়বে না। সিএনজি পরিষেবা বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে ১০০ শতাংশ বজায় রাখা হবে। গৃহস্থালির গ্যাস সরবরাহে কোনও সমস্যা হবে না। শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত গ্যাসের বরাদ্দ কমানো হতে পারে। চা ও চা শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রে গত ৬ মাসে যে হারে গ্যাস ব্যবহৃত হয়েছে সেটার ৮০ শতাংশ সরবরাহ করা হবে। সার উৎপাদন সংস্থার ক্ষেত্রে বরাদ্দ করা হবে গত ছ’মাসের ৭০% গ্যাস।
তেল শোধনাগার সরবরাহ করা হবে ৬৫% গ্যাস। জানা গিয়েছে, রেস্তরাঁগুলির জন্য বরাদ্দ গ্যাসের সরবরাহ নির্ধারণ করার জন্য পৃথক কমিটি গড়া হচ্ছে।
