ওঙ্কার ডেস্ক: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বিশ্বে। সংক্রমণে মৃত্যু ঠেকাতে মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের সরকারের তরফে। তবে অনেকে দাবি করেছিলেন, করোনার ভ্যাকসিন নেওয়ার ফলে তরুণদের মধ্যে হৃদরোগের সমস্যা বেড়ে গিয়েছে। যদিও এই দাবি নাকচ করলেন এইমস-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর ডঃ রণদীপ গুলেরিয়া।
কোভিড ভ্যাকসিন নেওয়ার ফলে হৃদরোগের সমস্যা বেড়েছে এই দাবি উড়িয়ে রণদীপ গুলেরিয়া স্পষ্ট বলেন, ‘আমরা কোভিডের আগে থেকেই তরুণদের হৃদরোগে আক্রান্ত হতে দেখেছি। এর পিছনে সাধারণত জিনগত কারণ রয়েছে। এ ছাড়াও জীবনযাত্রার পরিবর্তনও দায়ী।’ তিনি আরও বলেন, ‘জীবনধারা এবং জিনগত কারণে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা পশ্চিমের দেশগুলিতে ১০ বছর আগেই ঘটেছে। কোভিড ভ্যাকসিন এই প্রবণতার জন্য দায়ী নয়।’
রণদীপ গুলেরিয়া আরও বলেন, ভ্যাকসিনের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে গোটা বিষয়টির উপর খুব কাছ থেকে নজর রাখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু। হু এবং একাধিক সংস্থা জানিয়েছে, কোভিড ভ্যাকসিনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যৎসামান্য। বরং এর উপকারিতা অনেক বেশি। তাঁর মত, ভারত এই ভ্যাকসিন প্রদানের কর্মসূচি সফল ভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছিল বলে সংক্রমণ অনেকটা রোখা গিয়েছে।
হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বর্তমানে তরুণদের মধ্যে দৈহিক পরিশ্রমের কাজ অনেকটা কমেছে। অনেকে ডেস্কে বসে কাজ করেন। সেই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং সবুজ শাক সবজি ও ফলমূল খাওয়া কমিয়ে দেওয়ায় স্থূলতার সমস্যা বেড়েছে। যার ফলে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেড়েছে।
