ওঙ্কার ডেস্ক: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইকে হত্যা করেছে। যে ঘটনার পর পাল্টা আঘাত হানছে ইরানও। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তেহরান। সেই সঙ্গে ইজরায়েলের ভূখণ্ডেও প্রত্যাঘাত করছে ইরান। এই আবহে জল্পনা ছড়িয়েছে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান অবস্থা নিয়ে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বর্তমান পরিস্থিতি ঘিরে জল্পনা নিয়ে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, তিনি হয়তো জখম হয়েছেন কিংবা তাঁর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে এ বিষয়ে ইজরায়েলের তরফে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি। নেতানিয়াহুর মৃত্যুর পিছনে যে জল্পনা ছড়িয়েছে তার নেপথ্যে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশ হয়েছে প্রায় তিন দিন আগে। তিনি ছবি প্রকাশ করেছেন চার দিন আগে। তার পর থেকে নেতানিয়াহুর নামে যে বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো কেবলই লিখিত আকারেই।
দ্বিতীয়ত, সাধারণত ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন অন্তত একটি করে ভিডিও প্রকাশ করতেন। কখনও কখনও সেই সংখ্যাটা তিন পর্যন্ত পৌঁছয়। কিন্তু গত তিন দিনে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়নি, আর তা নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।
তৃতীয়ত, কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে, গত ৮ মার্চ বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাসভবনের কাছাকাছি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আত্মঘাতী ড্রোন হামলা মোকাবিলার জন্য এই ব্যবস্থা বলে দাবি করা হয়েছে। চতুর্থত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের ইজরায়েল সফরের কথা ছিল মঙ্গলবার। কিন্তু সেই সফর বাতিল করা হয়েছে। আর এটি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে।
পঞ্চমত, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছিল। সে বিষয়ে এলিসি প্রাসাদ যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, সেখানে কথোপকথনের নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করেনি। তবে এই সমস্ত জল্পনার স্তরে রয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবি মেনে নেওয়া কিংবা অস্বীকার করেনি ইজরায়েল।
