ওঙ্কার ডেস্ক: ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের বিরোধিতা করে কলকাতার ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ধর্না পাঁচ দিনের মাথায় ১০ মার্চ তুলে নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্না তুলে নেন তিনি।
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, ধর্নামঞ্চ থেকে তিনি যাবেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে। তবে এই সাক্ষাৎ সৌজন্যমূলক বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে সিভি আনন্দ বোস রয়েছেন আলিপুরের ‘সৌজন্য’তে।
ধর্না তুলে নেওয়ার আগে এদিন নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে আক্রমণ শানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাচক্রে মঙ্গলবার রাজ্যে রয়েছেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভোটার তালিকায় নাম বাদের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু রাস্তার আন্দোলনে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আইনি ভাবেও সেই লড়াই লড়া হবে বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘১৫-১৬ তারিখ ভোট ঘোষণা হয়ে গেলেও খেলা শেষ হবে না। খেলাটা সুপ্রিম কোর্টের হাতে রয়ে গেল।’ মমতা আরও বলেন, ‘আমি আশা করছি মানুষ অধিকার পাবেন। যে দরজাটা একেবারে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেই দরজাটা অনেকটাই খোলা হয়েছে। সেটির সদ্ব্যবহার করুন।’
প্রসঙ্গত, এদিন ধর্না তুলে নেওয়ার আগে মঙ্গলবার মঞ্চেই ছবি আঁকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে সেই ছবির মাধ্যমে তিনি স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন এবং দেশের নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করেছেন। গত বছর ডিসেম্বরে বাঁকুড়ার সভা থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে ডাকতে শুরু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সেই নামকেই শিল্পের মাধ্যমে প্রতিবাদের হাতিয়ার করলেন জোড়াফুল শিবিরের নেত্রী।
