ওঙ্কার ডেস্ক: পুরো দেশে প্রায় একযোগে ইন্ডিগো-র এক দফায় ৫৫০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়ে যায়, আর তারপর থেকেই বিমানযাত্রীরা এক বিশাল ভোগান্তির মুখে পড়ে গেছেন। বিমানবন্দরে হাজারো মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে কেউ কাউকে খুঁজছেন, কেউ ছুটছেন বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে।
বিমানসংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন ফ্লাইট ডিউটি সময় সীমাবদ্ধতার নিয়মের ফলে পাইলটদের কাজ ও বিশ্রামের সময় বদলে গেছে। এই নিয়ম অনুযায়ী, পাইলট এবং ক্রুদের বিশ্রাম ও ডিউটির সময়কে কঠোরভাবে মানতে হচ্ছে, আর এই পরিবর্তনকে মাথায় না রেখেই ব্যাতিক্রমী পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে তারা মেনে নিয়েছে। পাশাপাশি শীত, বাতাস-আকাশ নিয়ন্ত্রণ, প্রযুক্তিগত ছোটখাটো ত্রুটি এবং এয়ারস্পেস-সংকট-সহ একাধিক জটিলতাও একসঙ্গে কাজ করেছে, ফলে বাতিল ও বিলম্ব একযোগে বেড়ে গেছে।
কর্মীসংখ্যার ঘাটতি, ক্রু নিয়োগে সময়যোগে প্রস্তুতি না নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে, বহু ফ্লাইট বাতিল বা পরিবর্তন করতে হয়েছে, যা হঠাৎ করে যাত্রীদের এমন পরিস্থিতে ফেলে দিয়েছে, যা কোনো রূপেই স্বাভাবিক বলা যায় না।
যাত্রীদের সমস্যাও ভয়াবহ। অনেকেই অপূর্ব ভোগান্তি, দীর্ঘ অপেক্ষা, অনিশ্চিত ভবিষ্যত আর মানসিক চাপের শিকার। ব্যবসা-ব্যস্ত সময়সূচি, জরুরি কাজ বিঘ্নিত হয়েছে। বিমানবন্দর গুলোতে ভিড়, ক্রমাগত পরিবর্তন, এবং সিদ্ধান্তহীনতার কারণে নিরাপত্তা সংস্থা হিসেবে নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীকে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হয়েছে।
এই বিশৃঙ্খলা সামাল দিতে, ইন্ডিগো ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছেন, বর্তমান অপারেশন ধাপে ধাপে স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। তারা প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, নতুন পরিকল্পনা করছে এবং আশা করছে, আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ১০ তারিখের মধ্যে স্বাভাবিক ফ্লাইট সেবা পুনরায় শুরু হবে। কিন্তু স্পষ্ট, সাময়িক নিয়মের পরিবর্তন আর শীতকালীন চাপ ছিল পুরো পরিস্থিতির মূল উৎস।
