ওঙ্কার ডেস্ক: বাস্তবে দশম শ্রেণীর গণ্ডিও পেরোননি। নেই চিকিৎসা করার জন্য কোনও ডিগ্রি বা বৈধ লাইসেন্স। তার পরেও ভিন রাজ্যে গিয়ে ডাক্তারি করার অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার বাসিন্দা সঞ্জিত নীলকমল বিশ্বাস।
রিপোর্ট অনুসারে, গুজরাটের সুরাটে একটি অবৈধ ক্লিনিক চালানোর অভিযোগ ওই ৪০ বছর বয়সী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তাঁর চেম্বারে আসা রোগীদের অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ এবং ইনজেকশন দিতেন নীলকমল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গুজরাটের শচীনের পুলিশ এবং স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা তাঁর ‘আশা ক্লিনিক’-এ তল্লাশি অভিযান চালায়। সেখানে পরিদর্শন করে তদন্তকারীরা দেখতে পান নীলকমল বিশ্বাস রোগীদের পরীক্ষা নীরিক্ষা করছেন। অথচ তাঁর কোনও ডাক্তারি লাইসেন্স ছিল না। তা সত্ত্বেও যোগ্য চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে মানুষের সামনে তুলে ধরেছিলেন তিনি। নীলকমলের ক্লিনিকে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ, শিশি, স্টেথোস্কোপ, সিরিঞ্জ এবং বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। বিষয়টি নিয়ে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘নীলকমল প্রশিক্ষণ ছাড়া অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ দিতেন রোগীদের। যা জীবনের জন্য বিপজ্জনক।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফার্মাকোলজির প্রাথমিক ধারণা ছাড়া ইনজেকশন দেওয়া এবং ওষুধ লিখে দেওয়া মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।’ নীলকমল বর্তমানে হেফাজতে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ক্লিনিকটি কতদিন ধরে চালু ছিল এবং লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে কারা ওষুধ যোগান দিত তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।
