নিজস্ব প্রতিনিধি হাওড়া: পিলখানা খুনের ঘটনায় ধৃত ২ অভিযুক্ত হারুন খান এবং রোহিত হোসেনকে শুক্রবার ভোররাতে দিল্লি থেকে উড়িয়ে আনা হয় কলকাতায়। এদিন দুপুরে সিআইডির পক্ষ থেকে ধৃতদের হাওড়া আদালতে আনা হলে আদালতের সামনে বিক্ষোভ দেখান পিলখানার বাসিন্দারা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই দুই আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দিতে হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়ন করা হয় হাওড়া আদালতের সামনে।
বৃহস্পতিবার হাওড়ার পিলখানায় প্রোমোটার সফিকুল খান কে খুন করার অভিযোগে হারুন খান ও রাফাকাত হোসেনকে দিল্লি জামা মসজিদ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে হাওড়া সিটি পুলিশ। উল্লেখ্য হত্যা কাণ্ডের পর দুজন আত্মগোপন করে রাজ্যের বাইরে পালিয়ে যায়। সূত্রের খবর, সিসিটিভি ফুটেজ ও কল রেকর্ড বিশ্লেষণ করে পুলিশ তাদের হদিশ পায় এবং ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হয়। এর আগে গোলাবাড়ি পিলখানার শুটআউট এই কেসের তদন্তে দায়িত্ব নিয়েছিল সিআইডি। গত বুধবার ভোরবেলায় পিলখানায় প্রকাশ্য রাস্তার উপর শফিক নামের এক যুবককে গুলি করে খুন করে হারুন খান ও রোহিত নামে দুই দুষ্কৃতী। এই ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল এলাকায়। শফিক নামে ওই যুবককে চার রাউন্ড গুলি করা হয়। হারুন ও রোহিত নামে এই দুই দুষ্কৃতী সেখান থেকে পালায়।
গোটা ঘটনাটি এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই দুই যুবককে শফিকের সঙ্গে কথা বলতে বলতেই আচমকাই দুজনেই আগ্নেয়াস্ত্র বার করে শফিকের মাথায় ও বুকে ডুরান্ড করে মোট ৪ রাউন্ড গুলি চালিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলেই শফিকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পরই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে গোলাবাড়ি থানার পুলিশ। অবশেষে দিল্লি থেকে মূল দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল হাওড়া সিটি পুলিশ।
