ওঙ্কার ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের আবহে ভারতে এলপিজি সঙ্কট হতে পারে বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই আবহে দেশের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন মোদী।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব থেকে দেশের এলপিজি গ্রাহকদের রক্ষার জন্য সরকার একটি কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলার পর পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেয় তেহরানও। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়। যার ফলে বর্তমানে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য এই সামুদ্রিক পথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারত মোট এলপিজি চাহিদার ৬২ শতাংশ বাইরে থেকে আমদানি করে। বিশেষ করে, সৌদি আরবের মতো দেশগুলি থেকে আসা এই আমদানির ৮৫ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ- বর্তমানে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। ভারত সরকার বর্তমানে বিকল্প সরবরাহের পথ খুঁজছে। ভারত বছরে প্রায় ৩১.৩ মিলিয়ন টন এলপিজি ব্যবহার করে।
উল্লেখ্য, এলপিজি সঙ্কটের মধ্যে ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট বন্ধ হতে চলেছে বলে জানিয়েছে হোটেল মালিকদের অ্যাসোসিয়েশন। তাঁদের দাবি ইতিমধ্যে ২০ শতাংশ ভোজনশালা বন্ধ হয়ে গিয়েছে সাময়িকভাবে।
