ওঙ্কার ডেস্ক: ওয়াশিংটনের চাপের কাছে মাথা নত করবে না রাশিয়া। স্পষ্ট ভাবে জানালেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বা অন্য কোনও দেশের চাপের মুখে পিছু হঠার কোনও প্রশ্ন নেই বলে জানালেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার দুই তেলশোধক সংস্থার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। তবে এর ফলে রুশ অর্থনীতিতে কোনও প্রভাব পড়বে না বলে দাবি পুতিনের।
রুশ প্রেসিডেন্ট নাম না করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, রাশিয়ার কোনও জায়গায় হামলার ঘটনা ঘটলে তার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ যাতে বন্ধ হয়, সে কারণে মস্কোর উপর চাপ বৃদ্ধির কৌশল নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার দু’টি তেলশোধক সংস্থা ‘রসনেফ্ট’ এবং ‘লুকঅয়েল’-এর উপর নয়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ওয়াশিংটনের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়, যুদ্ধ বন্ধ হলেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘অবশ্যই এটা মস্কোর উপর চাপ বৃদ্ধির কৌশল। কিন্তু আত্মসম্মান রয়েছে এমন কোনও দেশ চাপের মুখে কোনও সিদ্ধান্ত নেয় না।’
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদক্ষেপে গোটা বিশ্বে তেলের বাজারে দাম আরও বাড়বে। একই মত পুতিনেরও। তবে এর ফলে ভবিষ্যতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অস্বস্তিতে পড়তে হবে বলে দাবি রুশ প্রেসিডেন্টের। ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘অবন্ধুসুলভ’ আচরণ করছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, ইউক্রেনের সঙ্গে যাতে রাশিয়া যুদ্ধ থামায় সে কারণে চেষ্টা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, ইউক্রেনকে ‘টোমাহক’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েছে ওয়াশিংটন। রিপোর্ট অনুসারে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে কিয়েভ। বিষয়টি ভাল ভাবে নেননি পুতিন। তিনি বলেন, ‘এটা প্ররোচনা তৈরির চেষ্টা। রাশিয়ায় হামলার জন্য এই ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করা হলে জবাবটাও যে গুরুতর হবে, সেটা মাথায় রাখা উচিত।’
