ওঙ্কার ডেস্ক: বিহারের পর কি বাংলা? এ রাজ্যে এসআইআর হতে পারে বলে আগেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এই আবহে এ বার রাজ্যে ইআরও এবং এইআরও শূন্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন করার জন্য সমস্ত জেলাশাসককে নির্দেশ দিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। স্পষ্ট নির্দেশ, আগামী ২৯ অগস্টের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন করে রিপোর্ট পাঠাতে হবে নির্বাচন কমিশনে। বুধবার সকালে জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। সেই বৈঠকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নবান্ন সূত্রের খবর, ওবিসি জটে দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। ফলে রাজ্যে এখনও প্রায় ৬১২ পদ শূন্য পড়ে রয়েছে। এক জন ইআরও’র অধীনে সাধারণত ৭ থেকে ১০ জন এইআরও থাকেন। সেই হিসেবে রাজ্যে তিন হাজারেরও বেশি এইআরও দরকার।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে রয়েছে বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সে রাজ্যে ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। যদিও কংগ্রেস-সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এসআইআর এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। এসআইআর করে মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। তবে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা মৃত ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য। তালিকায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য এই সংশোধন বলে দাবি কমিশনের। বিহারের পর আগামী বছর বাংলাতেও বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ রাজ্যেও এসআইআর করতে পারে কমিশন।
