ওঙ্কার ডেস্কঃ রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা বকেয়া ডিএ পাওয়ার অধিকারী কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম নির্দেশের পর অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে যে মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে, সেই কমিটি ইতিমধ্যেই দু’দফা বৈঠক করে প্রাপকদের একটি হিসেব আদালতে জমা দিয়েছে। সেখানে সরকারি কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া ডিএ পাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা থাকলেও, স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের প্রসঙ্গে কোনও উল্লেখ করা হয়নি। সেকারণেই আবারও এই বিষয় নিয়ে তীব্র জল্পনা কল্পনা তৈরি হয়েছে।
রাজ্যের তরফে আদালতে যে আবেদন করা হয়েচেহ, তাতে বলা হয়েছে, বকেয়া ডিএ–র ২৫ শতাংশ মেটাতে এ বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় প্রয়োজন। কিন্তু বকেয়ার প্রথম কিস্তির টাকা কীভাবে বা কোন পদ্ধতিতে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে ওই নথিতে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের এই কমিটিতে আদালতের মনোনীত তিন জন সদস্য ছাড়াও রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্র। গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে এই কমিটির প্রথম বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কীভাবে বকেয়া ডিএ মেটানো যেতে পারে, তার একটি প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করা হয়। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় বৈঠকেও সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়।
তবে ডিএ মামলার সঙ্গে যুক্ত এক আইনজীবী জানান, সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রথম ধাপে ডিএ পাওয়ার অধিকারী হলেন কর্মরত সরকারি কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্তরা। কারণ, এই মামলাটি মূলত সরকারি কর্মচারীদের সংগঠনই দায়ের করেছিল। পরবর্তী সময়ে রাজ্য সরকার যদি ‘ম্যাচিং’ বিজ্ঞপ্তি জারি করে, তাহলে স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদেরও দেওয়া বাধ্যতামূলক হবে।
