স্পোর্টস ডেস্ক:
দীর্ঘ ফুটবল জীবনে কোনওদিন লাল কার্ড দেখেননি তিনি। সাইড ব্যাকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে খেলেও। দেশ থেকে তিন প্রধান, দাপিয়ে খেলা অলোক মুখোপাধ্যায়ের আত্মজীবনী ‘লাল কার্ডের বাইরে’ প্রকাশিত হল রবিবার, ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবে। নিজের জীবনী প্রকাশের ভিড়ে ঠাসা অনুষ্ঠানে এসে আবেগে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি অলোক। বলেন, ‘এত মানুষের ভালোবাসা এখন দুই মলাটে। আজ মনে হচ্ছে, সত্যিই ফুটবলার হিসেবে হয়তো কিছু করতে পেরেছি।’ দীপ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই বইটির লেখক ক্রীড়া সাংবাদিক অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়।
এ দিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন প্রাক্তন কিংবদন্তি ফুটবলার ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বিকাশ পাঁজি, দীপেন্দু বিশ্বাস এবং বাইচুং ভুটিয়া। ছিলেন মোহনবাগান প্রেসিডেন্ট দেবাশিস দত্ত, ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার।
প্রায় প্রত্যেকের গলাতেই ছিল একই সুর। বলেন, ‘পিকে ব্যানার্জির মতো কিংবদন্তি কোচ যাঁকে একশো বছরের সেরা টিমে রেখে গিয়েছেন, তাঁর আত্মজীবনী সবার কাছে আদর্শ হওয়া উচিত।’
ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে অলোকের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাঁরই খেলা লাল হলুদ জার্সি। মোহনবাগান সবুজ-মেরুন উত্তরীয় দিয়ে সম্মান জানায়।
বাইচুংয়ের কথায়, ‘অলোকদার কোচিংয়ে আমি দেশের হয়ে ফুটবল জীবনের সেরা পাঁচটা বছর কাটিয়েছি। অলোকদা শুধু বড় ফুটবলার নন, ভদ্র মানুষও। তাঁর আত্মজীবনী ভবিষ্যৎ ফুটবলারদের কাছে আদর্শ হয়ে উঠুক।’
