ওঙ্কার ডেস্কঃ মতুয়াগড়ে নয়া রাজনৈতিক সমীকরণ? রবিবার সন্ধ্যাবেলায় বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করলেন রানাঘাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে একান্ত বৈঠক হয়। এই বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ! নাকি এই বৈঠকের গভীরতার তল একটু বেশিই, তা নিয়ে জোর হইচই হচ্ছে মতুয়াগড়ে।
সামনেই বিধানসভা ভোট। এবারের ভোটের আগে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া হয়েছে। এসআইআরের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম বাদ পড়েছে মতুয়া ভোটারদের একাংশের! নাম বাদ পড়ায় আতঙ্কিত, আশঙ্কিত মতুয়া সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা। কেন্দ্রের মন্ত্রী নেতাদের প্রতিশ্রুতি কোনও কাজেই লাগেনি। সেই আবহে এই বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
সূত্রের খবর, বৈঠক থেকে বেরিয়ে মুকুটমনি অধিকারী দাবি করেন, এটি একটি সৌজন্য সাক্ষাত। বিধায়কের কথায়, “তিন প্রজন্ম ধরে আমরা ঠাকুরবাড়িতে আসছি। এর আগেও একাধিকবার এসেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। তবে দলবদলের প্রসঙ্গ সবটাই সংবাদমাধ্যমের তৈরি। ভোটের সময় কারোর সঙ্গে দেখা হবে না। তাই সাক্ষাৎ করে গেলাম।”
অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতার দাবি, এটি নিছকই একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।
উল্লেখ্য, ২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাণাঘাট দক্ষিণে বিজেপির টিকিটে জিতেছিলেন মুকুটমনি। লোকসভা ভোটের আগে ফুল বদল করে যোগ দেন তৃণমূলে। লোকসভা নির্বাচনে হেরে যান। এরপর তৃণমূলের টিকিটে রাণাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনে জয়ী হন।
