
ওঙ্কার ডেস্ক: ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলিকে ক্যান্সার চিকিৎসায় সহায়তার কথা ঘোষণা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার ফলে দেশগুলি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ব্যাঙ্ককে অনুষ্ঠিত (বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টোরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন) বিমসটেক এর শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে মোদী ঐতিহ্যবাহী ওষুধের গবেষণা এবং প্রচারের জন্য একটি উৎকর্ষ কেন্দ্র তৈরি করার কথা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সম্মিলিত সামাজিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে জনস্বাস্থ্য। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, ভারত বিমসটেক দেশগুলিতে ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। স্বাস্থ্যের প্রতি আমাদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, ঐতিহ্যবাহী ওষুধের গবেষণা এবং প্রচারের জন্য একটি উৎকর্ষ কেন্দ্রও তৈরি করা হবে।’
ভারত ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন মোদী। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর গবেষণা ও উন্নয়নের কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। আগে থেকেই ভারত এবং থাইল্যান্ড ঐতিহ্যবাহী ওষুধ নিয়ে গবেষণায় একসঙ্গে কাজ করে আসছে।
উল্লেখ্য, দু’দেশের সরকারের তত্ত্বাবধানে গত বছর জয়পুর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ আয়ুর্বেদ এবং থাই ট্র্যাডিশনাল অ্যান্ড অল্টারনেটিভ মেডিসিন বিভাগ একটি মউ স্বাক্ষর করেছে। নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত দশম ভারত-থাইল্যান্ড যৌথ কমিশনের বৈঠকে সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস এর মাধ্যমে আয়ুষ মন্ত্রক আয়ুষ স্কলারশিপ প্রদান করে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলির পড়ুয়াদের। আয়ুর্বেদ, ইউনানি, সিদ্ধা এবং হোমিওপ্যাথিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্সের পাশাপাশি যোগাতে যারা বিএসসি, বিএ কিংবা পিএইচডি করে তাদেরকে এই স্কলারশিপ দেওয়া হয়। গত পাঁচ বছরে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলি থেকে ১৭৫ জন পড়ুয়া এই স্কলারশিপ পেয়েছে।