ওঙ্কার ডেস্ক: গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে টানা ৩০ দিন হেফাজতে থাকলে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীদের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হবে বলে আগেই বিল এনেছে কেন্দ্র। সেই বিল নিয়ে বিল নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে যে যৌথ সংসদীয় কমিটি তৈরি হচ্ছে তাতে অংশ নেবে না কংগ্রেস। প্রাথমিকভাবে হাত শিবিরের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর।
উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে বাদল অধিবেশনে লোকসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ১৩০তম সংবিধান সংশোধনী এই বিল পেশ করেন। এই বিলে দেশের প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মন্ত্রীদের অপসারণ করার কথা বলা হয়েছে। অভিযুক্ত মন্ত্রীরা যদি কোনও গুরুতর অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার হন এবং ধারাবাহিকভাবে ৩০ দিন জেল হেফাজতে থাকেন, তাহলে এই নিয়ম তাঁদের উপর প্রযোজ্য হবে। পাশাপাশি মন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করার বিধান রয়েছে বিলে। তবে ওই বিলটিকে পাশ না করিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। বিল নিয়ে আলোচনার জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে। যাতে মোট ২১ সদস্য থাকবেন।
ইতিমধ্যেই এই বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। সংসদীয় কমিটি গঠনের যে প্রস্তাব কেন্দ্রের তরফে এসেছে তা বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি এবং শিব সেনার উদ্ধব গোষ্ঠী। এবার সেই একই পথে হাঁটছে হাত শিবির।
