ওঙ্কার স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথমেই মনে হয়েছিল ফাইনাল ম্যাচে বড়সড় অঘটন ঘটতে চলেছে। ব্যাট করতে নেমে চটজলদি তিনিটি উইকেট পড়ে যাওয়ায় আটকে পড়েছিল ভারত। কিন্তু দুর্যোগে ছিটকে পড়ার আগেই হাল ধরলেন তিলক ভার্মা। স্থির মস্তিষ্ক, উপযুক্ত পরিকল্পনা এবং দায়িত্বের সঙ্গে তিনি দলকে টেনে নিয়ে গেলেন জয়ের আসনে। তাঁর ৫৩ বলে অপরাজিত ৬৯ রানই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এশিয়া কাপ ফাইনালে জয়ের আসল মিসাইল। প্রথমে ভারত পাকিস্তানকে ১৪৬ রানে অলআউট। পরে ব্যাট করতে নেমে দু’ বল বাকি থাকতে ১৪৭ রানের লক্ষ্য টপকে যায় ভারত। যেখানে শিবম দুবের ২২ বলে ৩৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস পঞ্চম উইকেটে ৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি সাহেবজাদা ফারহান (৩৮ বলে ৫৭) এবং ফখর জামান (৩৫ বলে ৪৬) তাদের দলকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন। তবে, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদব এবং অক্ষর প্যাটেলের ভারতীয় স্পিন ত্রয়ী জাল ঘুরিয়ে পাকিস্তানকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে ফেলে।

গৌতম গম্ভীরের গেম প্ল্যানিং-এ ভারত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে জয়টাকে অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং ও বোলিংয়ে এই মুহূর্তে যা গভীরতা, তা যে কোনও বিপর্যয়কে সামলে দিতে পারে। এবার দুবাইয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালেও সেটাই দেখা টিম গম্ভীর। ২০ রানে তিন উইকেট হারানোর পরও পাকিস্তানকে দুই বল বাকি থাকতে হারিয়ে দিল ভারত।
পাকিস্তানের শুরুটা দেখে মনে হয়েছিল ১৮০ রান অন্তত উঠবেই। কিন্তু পাক ব্যাটিংয়ের মিডল অর্ডারের মিডল অর্ডারের ভাঙনটা রয়েই গেল। ওপেনিং জুটিতে ৮৪ রান ওঠার পরও তাদের ইনিংস থেমে গেল ১৯.১ ওভারে ১৪৬ রানে। শেষ সাতটি উইকেট গেল মাত্র ৩২ রানে। ভারতীয় স্পিনারদের সামনে কার্যত আত্মসমর্পণ করলেন পাক ব্যাটাররা। কুলদীপ নিলেন চার উইকেট। অক্ষর আর বরুণ নিলেন দুটি করে উইকেট। আর শেষ দুটি উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস থামালেন বুমরাহ।
