ওঙ্কার ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করা হয় বলে বিরোধীরা প্রায়ই অভিযোগ করে। এ বার সুপ্রিম কোর্টও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার স্ত্রী বিএম পার্বতীকে তলব করার নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছিল কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই এর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ইডিকে রাজনৈতিক লড়াইয়ে ব্যবহার করা উচিৎ নয়। আদালত জানায়, লড়াই ভোটের ময়দানে হওয়া উচিত।
বিচারপতি বি আর গাভাই ও বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ কড়া ভাষায় বলে, ‘আমাদের বাধ্য করবেন না কিছু বলার জন্য। না হলে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরকে নিয়ে আমাদের খুব কঠোর মন্তব্য করতে হবে। রাজনৈতিক লড়াই ভোটের ময়দানে হোক, আপনাদের ব্যবহার করা হচ্ছে কেন?’ আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির তরফে অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল এসভি রাজু বলেন, ‘ঠিক আছে, আমরা আবেদন প্রত্যাহার করব।’ তবে এটিকে যেন নজির হিসেবে যাতে গণ্য না করা হয়, সেই আবেদন জানান তিনি। সর্বোচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে আর্জি খারিজ করা হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার স্ত্রী বিএম পার্বতীর বিরুদ্ধে মাইসোর আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা মুডা-র মাধ্যমে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। পার্বতীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৪টি জমি নিয়ম না মেনে তিনি পেয়েছেন। তাঁর স্বামী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় এই সুবিধা পেয়েছেন বলে অভিযোগ।
