ওঙ্কার ডেস্ক: কেদারনাথেই জীবনের সবচেয়ে বড় ‘ফিল্মি কেরিয়ার’ শুরু করেছিলেন তিনি। তাই সময় পেলেই সেখানেই বার বার ছুটে যান বলি অভিনেত্রী সারা আলি খান। একবার নয় এরই মধ্যে বেশ কয়েকবার কেদারদর্শন করেছেন নায়িকা। দেশের প্রায় সব হিন্দু তীর্থক্ষেত্রে গিয়েছেন তিনি। আর সেখানেই বারবার প্রশ্ন উঠেছে, ভিনধর্মী হয়েও কীভাবে মন্দিরে যান? যদিও সারা বরাবর সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা দিয়ে এসেছেন, তবে এবার কেদারনাথ তীর্থে রীতিমতো ‘পরীক্ষা’র সম্মুখীন হতে হল সারা আলি খানকে।
জানা গিয়েছে, চলতি বছর থেকেই বদ্রি-কেদার কমিটি মন্দিরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নাকি একটি নতুন ফরমান জারি করা হয়েছে। অহিন্দুরা অনুমতি ছাড়া মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন না। এর জন্যে তাঁদের মেনে চলতে হবে মন্দির কমিটির জারি করা বিশেষ নির্দেশ। কারোর ক্ষেত্রেও এই নিয়মের অন্যথা হবে না, এমনটাই জানিয়েছেন কেদারনাথ মন্দির কমিটির সভাপতি হেমন্ত দ্বিবেদী। তাঁর কথায়, “যাঁরা হিন্দু নন, তাঁরা মন্দিরে প্রবেশ করতে গেলে দিতে হবে ধর্মীয় বিশ্বাসের শংসাপাত্র। লিখিতভাবে জানাতে হবে ‘তিনি সনাতনী এবং হিন্দুত্বে বিশ্বাসী।’ তাহলেই নাকি ভিনধর্মীদের স্বাগত জানানো হবে মন্দিরে। সারা আলি খান যেমন ঘন ঘন কেদারনাথে আসেন। সেক্ষেত্রে তিনিও যদি লিখিত এই শংসাপত্র জমা দেন, তাহলেই পুজো দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিনেত্রীর আর কোনও বাধা থাকবে না। সারাকেও পুজো করার অনুমতি দেওয়া হবে।”
প্রসঙ্গত, সারা বরাবরই ঈশ্বরপ্রেমী, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে গ্ল্যামারাস জীবনযাপনের বদলে তিনি মজে থাকেন ঈশ্বরভক্তিতে। কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির, উজ্জয়িনীর মহাকাল মন্দির থেকে অসমের কামাখ্যা, সিদ্ধি বিনায়ক একাধিক তীর্থক্ষেত্র ঘুরে ফেলেছেন অভিনেত্রী।
