Skip to content
অক্টোবর 22, 2026
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play

Onkar Bangla

Only Truth

Primary Menu
  • কলকাতা
  • জেলার খবর
  • রাষ্ট্র
  • আন্তর্জাতিক
  • আলোক মঞ্জির
  • সম্পাদকীয়
    • এডিট
    • পোস্ট এডিট
  • খেলা
  • বিনোদন
  • পাঁচফোড়ন
  • দৈনন্দিন
    • স্বাস্থ্য
    • ভ্রমন
    • রান্না
    • রাশিফল
    • রুপটান
  • রবি লেখা
    • গল্প
    • ধারাবাহিক
    • প্রবন্ধ
    • কবিতা
    • বুক রিভিউ
  • যোগাযোগ করুন
  • ভিডিও
  • লাইভ
  • Home
  • সম্পাদকের পাতা
  • পোস্ট এডিট
  • বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ : ৭৬ বছরের গৌরবময় পথচলা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ : ৭৬ বছরের গৌরবময় পথচলা

Online Desk জুন 22, 2025
AL.jpg

মিজানুর হক খান, সভাপতি : জার্মান আওয়ামী লীগ

আগামী ২৩ জুন, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে পুরাতন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। রাজনৈতিক দলটি গত ৪০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, বি.এন.পি., জামায়াত-ই-ইসলামী, হেফাজত-এ-ইসলাম, হিযবুত তাহরীর সহ বিভিন্ন ডানপন্থী উগ্র জাতীয়তাবাদী জঙ্গি রাজনৈতিক দলগুলোর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটেছে এবং পরবর্তীতে ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ, অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক সরকার বাংলাদেশে দলটির রাজনৈতিক কর্মকান্ড আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রহসনমূলক বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবজ্জ্বল ইতিহাসকে মুছে ফেলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বি.এন.পি., জামায়াত-ই-ইসলামী, হেফাজত-এ-ইসলাম, হিযবুত তাহরীর সহ বিভিন্ন ডানপন্থী উগ্র জাতীয়তাবাদী জঙ্গি রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিষ্ঠা করা এবং বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্যই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করেছে বর্তমান ফ্যসিস্ট সরকার।

ক্ষমতালোভী ইউনুস সরকার বিস্মৃত হয়েছে যে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ—একটি নাম, একটি ইতিহাস, একটি আন্দোলন ও একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি আজ ৭৬ বছরে পদার্পণ করেছে। এই দীর্ঘ পথচলায় দলটি শুধু একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে নয়, বরং জাতির মুক্তি, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। মওলানা ভাসানি, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, মুহাম্মদ মনসুর আলী ও মোহম্মদ কামরুজ্জামানের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এরচেয়েও খারাপ সময় অতিবাহিত করেছে – নিষিদ্ধ হয়েছে, দলটির ৯৫% শতাংশ নেতা কারাগারে বন্দী ছিলেন, শুধুমাত্র আওয়ামী লীগকে সমর্থন ও ভোট দেয়ার কারণে নিরীহ – নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে – তবুও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা দলটিকে টিকিয়ে রেখেছে শত প্রতিকূলতার মাঝে। আজকের এই প্রবন্ধে আমরা অতীতের দিকে ফিরে তাকাবো, অতীত থেকে অনুপ্রেরণা ও শিক্ষা দুটোই আমরা গ্রহন করবো। বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও বানী থেকে শিক্ষা গ্রহন করবো; প্রতিজ্ঞা করবো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করে, বাংলাদেশে পুনরায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার ফিরিয়ে নিয়ে আসার; শপথ নেবো জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশকে আবারো উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করার।

২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এক অসাধারণ দূরদর্শী নেতা। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ছিল গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ—এই চার মূলনীতির উপর ভিত্তি করে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গঠন। তিনি বিশ্বাস করতেন, “সবার আগে মানুষ”—এই মানবিক দর্শনই তাঁকে জনগণের নেতা করে তোলে। বঙ্গবন্ধুর ৬-দফা আন্দোলন ছিল বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তির রূপরেখা। তিনি চেয়েছিলেন এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে মানুষ মর্যাদার সঙ্গে বাঁচবে, ক্ষুধা-দারিদ্র্য থাকবে না, বৈষম্য থাকবে না। তাঁর আদর্শ আজও আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে এবং আবহমান কাল ধরে প্রভাব বিস্তার করে যাবে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করে। এরই প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চ ১৯৭১ সালে ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দিয়ে বলেন, “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।” এই ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতার চূড়ান্ত ঘোষণা হয়ে ওঠে।

২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামক গণহত্যা শুরু করলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ, ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং কোটি মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। নিষিদ্ধ থাকলেও, এই পুরো যাত্রাপথে আওয়ামী লীগ ছিল নেতৃত্বের আসনে।

বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকে দলটিকে আধুনিক ও সংগঠিত রূপ দেন। ২০০৯ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে :

অবকাঠামো উন্নয়ন :
পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র—সবই শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বের ফসল।

ডিজিটাল বাংলাদেশ :
তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও প্রশাসনে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত হয়েছে। সারা দেশে ৪০টির কাছাকাছি হাইটেক পার্ক স্থাপন করেন ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর জোর দেন।

সামাজিক নিরাপত্তা :
বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা—এসব কর্মসূচি সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য :
বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, উপবৃত্তি, কমিউনিটি ক্লিনিক, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হ্রাস—এসবই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হয়েছে।

যুদ্ধাপরাধের বিচার :
ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা: ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু করে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করে। এই বিচার প্রক্রিয়া জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং ইতিহাসের দায় পূরণ করেছে।

নারীর ক্ষমতায়নে আওয়ামী লীগের অগ্রণী ভূমিকা :
আওয়ামী লীগ সরকার নারীর ক্ষমতায়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারীরা আজ প্রশাসন, বিচার বিভাগ, সাংবাদিকতা, রাজনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সেনাবাহিনী, পুলিশসহ সবক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নারী বান্ধব নীতিমালার কারণে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে মেয়েদের জন্য উপবৃত্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক, মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা সহজলভ্য করা গিয়েছে। এই সময়ে বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের পাশাপাশি সরাসরি নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্যের সংখ্যা বেড়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারীদেরকে সাবলম্বী করার জন্য রাষ্ট্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ ও প্রশিক্ষণ প্রদান ও বাজার সংযোগের মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা হয়েছে। সবোর্চ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেটকে সহজলভ্য করার মাধ্যমে নারী উদ্দোক্তাদের ঘর থেকে বের না হয়ে উপার্জনের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি।

৩.
গত ৭৬ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়নি। ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দলটি এর আগেও কয়েকবার রাজনৈতিক সংকট নাহলে সামরিক শাসনের মুখে কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল। তবে প্রতিবারই আওয়ামী লীগ আবার সংগঠিত হয়ে রাজনীতিতে ফিরে এসেছে।
বিবিসি, বাংলা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা ও নেতা-কর্মীদের উপর দমন-পীড়নের ইতিহাসকে সাতটি ভাগে ভাগ করেছে।
১৯৫২ – ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত আইয়ূব খানের আমলে
১৯৬৬-১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ৬-দফা পরবর্তী প্রতিক্রিয়া
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের নৃশংস হত্যাকান্ডের পর থেকে ১৯৮২ সালে সভাপতি শেখ হাসিনা ফিরে আসা পর্যন্ত
১৯৮২ – ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এরশাদের শাসনামলে
২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বি.এন.পি – জামায়াত জোট সরকারের আমলে এবং
২০০৭-২০০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে
(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা, ১২ মে ২০২৫)

প্রত্যেকবারই ফিরে আসার গল্পটা প্রায় একই রকম – বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা একত্রিত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর বা তাঁর সুযোগ্য কন্যা সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের উপর আস্থা রেখে প্রবল বিক্রমে দলটিকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে রাজনীতির অঙ্গনে।

৪.
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিএনপি, জামায়াতসহ ডানপন্থী ধর্মীয় গোষ্ঠীর সমর্থনে তথাকথিত ইউনুস সরকার গঠিত হয়। আওয়ামী লীগ এই সরকারকে অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক ও অবৈধ বলে ঘোষণা করেছে। এই সরকারের অধীনে দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে।

নেতা-কর্মীদের উপর নির্যাতন :
হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনেকেই গুম হয়েছেন, অনেকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ :
স্বাধীন সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, বিরোধী মত দমন করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা :
আওয়ামী লীগের সভা-সমাবেশে বাধা, অনুমতি না দেওয়া, পুলিশি হামলা—এসবই এই সরকারের দমননীতির অংশ।

এই দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এই অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দলীয় ঐক্য, সাংগঠনিক শক্তি এবং জনগণের সমর্থনই পারে এই দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে। তাই আমাদেরকে- প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে হবে, যাতে তারা বিভ্রান্ত না হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সত্য প্রচার করতে হবে, গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৭৬ বছরের পথচলায় বারবার প্রমাণ করেছে, এটি শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারই এই দলকে আজও জনগণের হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে।

বর্তমান সংকটময় সময়ে দলটির ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসই পারে বাংলাদেশকে আবারও সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে। ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের অঙ্গীকার হোক—গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার।

Continue Reading

Previous: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৬ বছর
Next: ভারতের ওঠানামার খেলা, জমে উঠেছে হেডিংলি টেস্ট

সম্পর্কিত গল্প

Ghostly-Portrait-Over-a-Distant-Couple.jpg

‘জেন জি’দের কাছে শিক্ষনীয় রুকমাবাঈ ! যিনি ব্রেক আপের ইতিহাসে নজির সৃষ্টিকারী প্রথম ভারতীয় মহিলা চিকিৎসক

Online Desk অক্টোবর 20, 2026
Indias-Regional-Voices-Rally-at-Parliament.jpg

সারা দুনিয়ার নিরিখে ভারতে রাজনৈতিক দলের সংখ্যা সর্বোচ্চ, গণতন্ত্রের সুফল, না বঞ্চনার প্রকাশ

Online Desk অক্টোবর 19, 2026
WhatsApp-Image-2026-10-18-at-15.48.41.jpeg

ই-কমার্স কিংবা অনলাইনের দাপটে মার খাচ্ছে মেট্রো শহরগুলির ব্যবসায়ীরা, স্বহস্তে বাজার না করে খাঁটি, ভেজাল চেনার সুযোগ হারাচ্ছে গ্রাহকরা

Online Desk অক্টোবর 18, 2026

You may have missed

CJP.jpg

৭ দিন কারাবাসের পর মুক্তি পেলেন সিজেপির দুই মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা

Online Desk অক্টোবর 21, 2026
India-Election-Administration-Montage.jpg

সম্পাদকীয়

Online Desk অক্টোবর 21, 2026
1000437867.webp

চোরবাগানকাণ্ডে হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে ৬ সদস্যের সিট গঠন রাজ্যের, নেতৃত্বে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

Online Desk অক্টোবর 21, 2026
1000437693.webp

হ্যাকার হানায় এসবিআই-এর প্রায় চার হাজার গ্রাহকের তথ্য ফাঁস, স্বীকার করল ব্যাঙ্ক

Online Desk অক্টোবর 21, 2026
  • Get in Touch
  • Privacy Policy
  • Facebook
  • Instagram
  • YouTube
  • Linkedin
  • WhatsApp Channel
  • Google Play
Copyright © All rights reserved. | Designed and Maintained by UQ Labs.