মনোজ চক্রবর্তী,হাওড়া:
হাওড়া জেলায় অবস্থিত গ্রামটির নাম শশাটি।গ্রামের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে বয়ে চলেছে রূপনারায়ণ নদ। এই গ্রামের মানুষের জীবিকা বলতে মাছ ধরা আর কৃষিকাজ।অনেক পরিযায়ী শ্রমিক ও আছেন। আবার কেউ কেউ ইটভাটায় কাজ ও করেন। এতদিন গ্রামে কোনো রথ ছিল না।নদী তীরবর্তী এই গ্রামের মানুষ রথের দিন মন ভার করে থাকতেন । অবশেষে তাদের ইচ্ছাপূরণ হতে চলেছে। এবার তাদের গ্রামে জগন্নাথ দেবের রথের রথের চাকা ঘুরবে ।
আর তাই শশাটি গ্রামের পশ্চিম প্রান্তে এখন সাজো সাজো রব।আট থেকে আশি ভাসছে রথের আবেগে। মহিলারা রথযাত্রার জন্য পালা করে চাঁদা তুলছেন। কিন্তু কি ভাবে রথের স্বপ্ন পূরণ হল?জানা গিয়েছে বেহালার এক প্রবীণ মহিলা রথটি উপহার হিসাবে গ্রামের মানুষকে দিয়েছেন। এখন শশাটি আদর্শ সংঘের মাঠে চলছে প্যান্ডেল তৈরীর কাজ।এখানেই থাকবে রথ।রথের রীতি মেনে জগন্নাথদের মাসির বাড়ি কোথায় হবে?এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেল এক চমকপ্রদ তথ্য।বহতা রূপনারায়ণ নদের তীরে একটি ইটভাটাই হবে জগন্নাথ, বলরাম,সুভদ্রাদের মাসির বাড়ি।কদমগাছের তলায় সেখানে ও অস্থায়ী মন্দির তৈরী করে নয়দিন রাখা হবে জগন্নাথদেবকে ।অফ সিজন হলে ও ইটভাটায় আসা শ্রমিক ও পরিজনরা সঙ্গ দেবে জগন্নাথ,বলরামদেবকে।আর জগন্নাথ,বলরাম সুভদ্রাদের মেসো মশাই কিশোর ঘোষ ও রীতিমতো উচ্ছ্বসিত জগন্নাথ, বলরাম,সুভদ্রাদের আপ্যায়নের জন্য।এই বর্ষাতে যাতে কোন সমস্যা না হয় ,তার দিকে সজাগ নজর রাখছেন তিনি।মাসির বাড়ি ইট ভাটা তেই খেলে বেড়াবে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা ।
