ওঙ্কার ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠল। সংঘাত থামাতে অন্তত দুই মিত্র দেশের উদ্যোগে আলোচনার চেষ্টা হলেও সেই প্রচেষ্টা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে পরোক্ষভাবে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও মার্কিন প্রশাসন তাতে আগ্রহ দেখায়নি।
সংঘাত ক্রমশ তীব্র হয়ে ওঠার পর পরিস্থিতি শান্ত করতে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ মধ্যস্থতার চেষ্টা শুরু করে। সূত্রের খবর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে কয়েকটি মিত্র দেশ কূটনৈতিক আলোচনার পথ খুলতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই প্রচেষ্টাকে কার্যত প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির কোনও প্রশ্নই ওঠে না এবং সামরিক চাপ বজায় রাখা জরুরি।
এই অবস্থানের ফলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। কারণ, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারেও বড় ধাক্কা লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক আলোচনার পথ বন্ধ হয়ে গেলে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
এদিকে তেহরানও স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে হামলা চলতে থাকলে কোনও ধরনের যুদ্ধবিরতি বা আলোচনায় তারা রাজি হবে না। ফলে দুই পক্ষই কঠোর অবস্থানে অনড় থাকায় উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অচলাবস্থা চলতে থাকলে আগামী দিনে সামরিক সংঘর্ষ আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের বড় অংশই কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে সওয়াল করছে। কিন্তু দুই পক্ষের অনমনীয় অবস্থানের কারণে সংঘাত থামানোর উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।
