ওঙ্কার ডেস্ক: মায়ের মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ছেলে এবং দুই আত্মীয়ের। শুক্রবার জয়পুর থেকে হরিয়ানায় যাওয়ার সময় রোহতকের ১৫২ডি ফ্লাইওভারে এই ঘটনা ঘটেছে। দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে তাদের গাড়ির ধাক্কা লেগে এই মর্মান্তিক পরিণতি।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, এটিএস অফিসার এএসআই যোগিন্দর কৌরের তিন থেকে চার বছর আগে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। তার পর থেকে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন, বৃহস্পতিবার জয়পুরে তিনি মারা যান। মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার মৃতদেহ নিতে হরিয়ানা থেকে আসে। সেই সময় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, কৌরের ছেলে কিরাত (২৪), বোন কৃষ্ণা (৬১) এবং আত্মীয় শচীন শববাহী অ্যাম্বুলেন্সের পিছনে গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। ভোর ৪টে ৩০ মিনিট নাগাদ, ১৫২ডি ফ্লাইওভারে তাঁদের গাড়িটি দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খায়। সংঘর্ষ এতটাই তীব্র ছিল যে গাড়ির সামনের অংশ সম্পূর্ণরূপে দুমড়ে মুচড়ে যায়। এই ঘটনার পর পথচারীরা পুলিশে খবর দেয়। রোহতকের মেহম স্টেশন থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গাড়ির জানালা কেটে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা কিরাত, কৃষ্ণা এবং শচীনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্য দিকে এক মহিলা যাত্রী, যিনি অ্যান্টি কোরাপশন ব্যুরোর কনস্টেবল দলবীরের স্ত্রী গুরুতর জখম অবস্থায় পিজিআই রোহতকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, কৌরের ছেলে শচীন, সম্প্রতি পালিতে পশুচিকিৎসক হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তিনটি মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিভিল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে, এবং ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি এবং ট্রাকটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। পুলিশ প্রাথমিক ভাবে মনে করছে, গাড়ির চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।
