ওঙ্কার ডেস্ক:বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। দলের নাম, জোড়াফুল প্রতীক এবং দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। এই আবহে সোমবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তার পর প্রতীক নিয়ে বিরোধ নতুন মাত্রা পেয়েছে।
উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করবে কোন পক্ষ? সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে কমিশনের হাতে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অবশ্য তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত একাধিক বিধায়ক মমতার শিবির থেকে সরে গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছে। বিধানসভায় ঋতব্রতপন্থী শিবিরকে বিরোধী পক্ষের স্বীকৃতিও দেওয়া হয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দিয়েছেন স্পিকার।
উল্লেখ্য, কোনও রাজনৈতিক দল ভেঙে গেলে দলের স্বীকৃত নাম এবং সংরক্ষিত প্রতীক কে ব্যবহার করবে, তা নির্ধারণ করতে পারে নির্বাচন কমিশন। সেই নিয়মেই তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক মমতা না ঋতব্রত কার হাতে থাকবে তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন। ফলে উপনির্বাচনের আগে দুই শিবিরের নজর এখন নির্বাচন কমিশনের দিকে।