ওঙ্কার ডেস্ক: ধস বিধ্বস্ত নাগরাকাটায় ত্রাণ দিতে গিয়ে বিজেপির সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই ঘটনায় বুধবার দু’জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। বৃহস্পতিবার আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হল। সব মিলিয়ে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে এখনও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেই ধৃতদের নাম এফআইআর-এ ছিল না। তবে পরে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের নাম এফআইআর এ রয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তদেরও গ্রেফতার করা হবে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত চার জনের নাম- সাহানুর আলম, তোফায়েল হোসেন, একরামূল হক এবং গোবিন্দ শর্মা।
উল্লেখ্য, টানা বৃষ্টিতে বিপর্যয় নেমে এসেছিল উত্তরবঙ্গে। জনজীবন কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। ধসের ফলে একাধিক রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল কম করে ২৮ জনের। সেই আবহে গত সোমবার নাগরাকাটায় ত্রাণ বিলি করতে যান খগেন মুর্মু এবং শঙ্কর ঘোষ। গুরুতর চোট নিয়ে তিনি চিকিৎসাধীন। চোখের নীচের হাড় ভেঙেছে খগেনের। যদিও দু’দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শঙ্কর ঘোষ ছাড়া পেয়েছেন। তাঁকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে চিকিৎসকদের তরফে। এই গোটা ঘটনায় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন, ‘পুলিশের উপস্থিতিতে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালিয়েছে। এখন পরিস্থিতি সামলাতে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কিন্তু আমরা জানি, এই পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করবে না। তাই এনআইএ তদন্ত চাই।’