ওঙ্কার ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইকে হত্যা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল। সর্বোচ্চ নেতাকে খুনের পর তেহরানও পাল্টা হামলা চালানো শুরু করেছে ইজরায়েলে এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে। এই আবহে ভারতের মধ্যে ইরানপন্থী প্রচারণা এবং মৌলবাদীদের ভাষণের উপর নজরদারি চালানোর জন্য রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
২৮ ফেব্রুয়ারি সমস্ত রাজ্যকে পাঠানো চিঠিতে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক প্রত্যেক রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে বলেছে, সমাজ মাধ্যমে চরমপন্থী এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের উপর নজর রাখতে। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা যাতে না ঘটে তা নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যগুলিকে পরামর্শ দিয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক। সার্কুলারে রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে, নিজেদের সীমা এলাকায় থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের কনস্যুলেট, দূতাবাস এবং অন্যান্য কূটনৈতিক অফিসে নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। এই দুই দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায়ও জোর দিতে বলা হয়েছে। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে সার্কুলারে।
উল্লেখ্য, শনিবার ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথ ভাবে ইরানে হামলা চালায়। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই, তাঁর মেয়ে এবং নাতি নিহত হন। তার পর থেকে ইরান ইজরায়েলে আক্রমণ করছে। নেতানিয়াহু বাহিনীও আক্রমণ জারি রেখেছে ইরানে, শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এর ফলে। অন্য দিকে, ইরানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণের জন্য বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বিপ্লবী গার্ড, ইরানি সামরিক বাহিনী এবং পুলিশকে অস্ত্র জমা দিতে বলেছেন।
