ওঙ্কার ডেস্কঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে আই প্যাক মামলায় শুনানি। বিচারপতি পি কে মিশ্র ও কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি রয়েছে। এর আগে শুনানিতে কেন্দ্রের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু আদালতে বলেন, ‘ইডি-কে অস্ত্র বানানো হয়নি। অন্যদিকে ইডির অভিযোগ, প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশির সময়ে মুখ্যমন্ত্রী ও শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে ঢোকেন। গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল ডিভাইস ও নথি সরিয়ে নেওয়া হয়। এমনকি এক ইডি আধিকারিকের মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়। তাদের দাবি, এটি শুধু একটি ঘটনা নয়, কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে ধারাবাহিক বাধা দেওয়ার “প্যাটার্ন”।
অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর হলফনামায় জানিয়েছেন, কোনওভাবেই ED-র কাজে বাধা দেওয়া হয়নি। দলের গোপন তথ্য ও ডিভাইস উদ্ধার করতে সেখানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ইডি সেই অনুমতিও দিয়েছিল। রাজ্যের আরও অভিযোগ—ইডি-র তল্লাশি ছিল “সন্দেহজনক” এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা-সহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশেই অভিযান চালানো হয়। ইডি কোনও অডিও বা ভিডিও রেকর্ড জমা দিতে পারেনি, যা আইনে বাধ্যতামূলক।
সুপ্রিম কোর্ট আগেই এই মামলাকে “গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন”-এর সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করেছে। শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দলের বৈধ নির্বাচনী কাজেও হস্তক্ষেপ করা যাবে না। এবার বুধবারের শুনানিতে আদালত কী বলে সেটাই দেখার।
