ওঙ্কার ডেস্কঃ লোকসভায় বাজেট বিতর্কে তীব্র আক্রমণ। তারপর সংসদ চত্বরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনে নজির বিহীন দৃশ্য। সংসদ চত্বরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী ও অশ্বিনী বৈষ্ণব সংবাদমাধ্যমকে বলছিলেন, রাহুল গান্ধীর উচিত ছিল আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি, এপস্টিন ফাইলস-সহ একাধিক প্রসঙ্গে অভিযোগ তোলার আগে তথ্য যাচাই করা, ঠিক সেই সময়ই রাহুল গান্ধী সেখানে গিয়ে বলেন, “আমিও আসছি, একসঙ্গে বলি চলুন।” দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সে সময়ই সেখান থেকে সরে যান।
রাহুল দাবি করেন, এপস্টিন ফাইলে হরদীপ সিং পুরী ও অনিল আম্বানির নাম রয়েছে। তাঁর কাছে তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর সরাসরি চাপ রয়েছে বলেই আমেরিকার সঙ্গে এই ধরনের বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। তাঁর কথায়, “কেউ একজন প্রধানমন্ত্রীর গলা চেপে ধরে রেখেছে।” কৃষক, তথ্য সুরক্ষা বা জ্বালানি নিরাপত্তার মতো বিষয়েও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন রাহুল।
যদিও বিজেপি রাহুলের বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছে। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, কোনও মা-ই কা লাল জন্মায়নি যে দেশকে বিক্রি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী নেতা।
বুধবারই লোকসভায় চাঁচাছোলা ভাষায় কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছিলেন রাহুল। বলেছিলেন, মূল্য-সংবেদনশীল কৃষি ও দুগ্ধ বাজার আমেরিকার জন্য খুলে দিয়ে কেন্দ্র কার্যত “ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছে”। এর আগে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেও এই চুক্তির কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দাবি করেন, এতে ভারতের কৃষক, পশুপালন ও বস্ত্রশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
