ওঙ্কার ডেস্কঃ গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর গণবিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট পার্টির সরকারের পতন ঘটেছিল নেপালে। জেনজি দের বিক্ষোভ গণআন্দোলনের রূপ নিয়েছিল। তার জেরেই ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল কেপি শর্মা ওলিকে। এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার নেপালে ভোটগ্রহণ। সূত্রের খবর, সকাল ৭ থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ পর্ব। কড়া নিরাপত্তার মোড়কে চলছে ভোটগ্রহণ। নেপালের ভোটের কথা মাথায় রেখে মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে ভারত-নেপাল সীমান্ত। জানা গিয়েছে, ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকবে শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত।
জানা গিয়েছে, সীমান্তে শুধু অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা খোলা রয়েছে। আগামী ৬ মার্চ সকাল থেকে সীমান্ত সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। সীমান্ত বন্ধ থাকায় প্রভাব পড়বে ভারতের সীমান্ত এলাকার ব্যবসায়। পানিট্যাঙ্কি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী জানান, নেপালের সাধারণ নির্বাচন এবং সেখানে স্থায়ী সরকার গঠনের দিকে তাকিয়ে আছেন সীমান্তের ব্যবসায়ী মহল।
নেপালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়ি মহকুমার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ভোটের দিন দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
