ওঙ্কার ডেস্কঃ আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে শেষ করারা পরিকল্পনা হয়েছিল আগেই। গত বছরের নভেম্বর মাসেই ছক কষেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার রাতে এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি করেছেন ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইজরায়েল কাতজ। তিনি জানিয়েছেন, মূলত ইরানের গণবিক্ষোভ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বোঝাপড়ার ফলেই জুনের বদলে ফেব্রুয়ারিতেই হামলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় আমেরিকা ও ইজরায়েল।
ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০২৫-এর নভেম্বরে একটি অতি গোপন বৈঠকে নেতানিয়াহু খামেনেই-হত্যার লক্ষ্য স্থির করেন। প্রথমে ঠিক হয়েছিল, জুন মাস নাগাদ এই অভিযান চালানো হবে। তবে ইজরায়েল শুরুতে এই পরিকল্পনা আমেরিকাকে জানায়নি। কারণ একাই এই অভিযান শেষ করার ক্ষমতা আছে বলে মনে করেছিল ইজরায়েল।
কিন্তু পরিস্থিতি আমুল বদলে যায় যখন ডিসেম্বরের শেষে ইরানি প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের তীব্র বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। রাস্তায় নেমে হাজার হাজার মানুষ মুসলিমতন্ত্রের পতনের ডাক দেন। কাতজ বলেন, “আমরা চাই ইরানি জনগণই এই শাসনের পতন ঘটান। আমরা কেবল সেই পথটা প্রশস্ত করে দিচ্ছি।”
ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর আরও জানান, এ বারের হামলা গত বছরের তুলনায় তিন গুণ বেশি শক্তিশালী। এবারের লক্ষ্য কেবল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার বা পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস করা নয়, বরং এমন পরিস্থিতি তৈরি করা যাতে সাধারণ মানুষ নিজেরাই বর্তমান সরকারকে উপড়ে ফেলতে পারেন।
