ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে চালু হবে নয়া হারে জিএসটি। তার আগে কলকাতায় এসে এই সিদ্ধান্তের ফলে কী ভাবে বাংলা-সহ সারা দেশের মানুষ উপকৃত হবেন তা তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। বৃহস্পতিবার জাতীয় গ্রন্থাগারের শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ভাষা ভবনে
শিল্প ও বণিক মহলের প্রতিনিধিদের সামনে বক্তব্য রাখেন তিনি।
জিএসটি কাঠামোর সংস্কারের ফলে বাংলা কী ভাবে উপকৃত হবে সে প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নির্মলা শান্তিনিকেতনের চর্মজাত শিল্প বাঁকুড়া পাঁচমুডা টেরাকোটার কথা বলেন। এ ছাড়াও তিনি বলেন, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মাদুর, বীরভূম-মুর্শিদাবাদের নকশী কাঁথা, দক্ষিণ দিনাজপুরের কাঠের মুখোশ, পুরুলিয়ার ছৌ মুখোশ, শোলার হস্তশিল্প, মালদা-মুর্শিদাবাদের আম এবং দার্জিলিঙের চা এর সঙ্গে জড়িত শিল্পী ও ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর জিএসটি কাউন্সিলের প্রথম বৈঠকের পরেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন জিএসটি হার ঘোষণা করেছেন। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে দু’টি হারে জিএসটি কার্যকর হবে। একটি ধাপ রয়েছে ৫ শতাংশের এবং আরেকটি রয়েছে ১৮ শতাংশের। পুরনো জিএসটি কাঠামোয় যে ১২ এবং ২৮ শতাংশের স্তর ছিল, তা তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু পণ্যকে ৪০ শতাংশ হারের স্তরে রাখা হয়েছে। আগে দুধ, ছানা, পনির, রুটি, পাউরুটির উপর পাঁচ শতাংশ জিএসটি ছিল। তা তুলে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মাখন, ঘি, তেল এবং দুগ্ধজাত পণ্যের উপর জিএসটি হার ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে।
