ওঙ্কার ডেস্ক : ছত্তিশগড়ে বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করছিলেন জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের কর্মীরা। সেই আন্দোলন চলাকালীন ২৫ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছিল কর্তৃপক্ষ। আর তাতেই আরও তেতে ওঠে পরিস্থিতি। এক সঙ্গে ১৪,০০০-এরও বেশি কর্মী গণইস্তফা দিলেন। এক সঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক কর্মী ইস্তফা দেওয়ায় পরিষেবা বিঘ্নিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের কর্মীরা গত ১৮ আগস্ট থেকে তাদের দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করছেন। পরিষেবা নিয়মিতকরণ এবং কাজের পরিবেশ উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ছত্তিশগড় প্রদেশ এনএইচএম কর্মচারী সঙ্ঘের এক নেতা বলেন, তাঁদের দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণের পরিবর্তে, সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রসঙ্গত, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের লক্ষ্য হল ন্যায়সঙ্গত, সাশ্রয়ী এবং মানসম্পন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া। এই কর্মসূচির আওতায় রয়েছে ডাক্তার, নার্স-সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা। সরকারি সূত্রের খবর, রাজ্য স্বাস্থ্য কমিটি গত ১৩ আগস্ট বৈঠক করেছে। সেই বৈঠকে চুক্তিভিত্তিক এনএইচএম কর্মীদের তরফে তোলা ১০টি দাবির মধ্যে চারটি গ্রহণ করা হয়। আরও তিনটি দাবি খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরিষেবা নিয়মিতকরণ অন্তর্ভুক্ত-সহ বাকি তিনটি দাবি সরকারের শীর্ষ স্তরে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বারবার নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও, যখন বিক্ষোভকারী কর্মচারীরা কাজে যোগদান করেননি, তখন তাদের মধ্যে ২৫ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ৩ সেপ্টেম্বর জারি করা নির্দেশে বলা হয়, নোটিশ অমান্য করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়া ‘ছত্তিশগড় সিভিল সার্ভিসেস কন্ডাক্ট রুলস, ১৯৬৫’ এবং ‘হিউম্যান রিসোর্স পলিসি-২০১৮ এর ৩৪.৩ ধারা’ লঙ্ঘনের সামিল।
