ওঙ্কার ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার কাছাকাছি পরমাণু শক্তিসম্পন্ন সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ বার ওয়াশিংটনকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিল মস্কো। বিভিন্ন মহাসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে যথেষ্ট সংখ্যক বেশি পরমাণু অস্ত্রবাহী ডুবোজাহাজ রাশিয়ার কাছে রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দেন সে দেশের পার্লামেন্ট ডুমার সদস্য ভিক্টর ভোডোলাটস্কি।
রুশ সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘উনি যথাযথ জায়গা বলতে যা বোঝাতে চেয়েছেন সেটা বহু বছর ধরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে। তাই রাশিয়ার তরফে ওঁর মন্তব্য নিয়ে কিছু বলা হয়নি।’ ঠিক কী কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার সূত্রপাত? ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সাড়ে তিন বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। যে যুদ্ধ থামানোর জন্য মস্কোকে একাধিকবার বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। কিন্তু সেই যুদ্ধ এখনও থামেনি। এই আবহে যুদ্ধবিরতির জন্য ৮ আগস্ট দিনটি বেঁধে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু যুদ্ধ থামানোর বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত দেননি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির প্রেক্ষিতে রাশিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রে মেদভেদেভ ওয়াশিংটনকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে সমাজ মাধ্যমে লেখেন ‘প্রত্যেকটি হুঁশিয়ারি যুদ্ধের দিকে এক ধাপ করে এগিয়ে দেবে’। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে ‘রাশিয়ার কিছু যায় আসে না’ বলেও দাবি করেন তিনি।
প্রাক্তন রুশ প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারির প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ‘রাশিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ যে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন, তাতে উপযুক্ত জায়গায় পরমাণু শক্তিসম্পন্ন দু’টি সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছি আমি। মূর্খের মতো যে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন উনি, তার চেয়ে বেশি যাতে কিছু না হয়, সেই জন্যই এমন সিদ্ধান্ত।’
