ওঙ্কার ডেস্ক: প্রথম বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মসনদে বসে ২০১৮ সালে মার্কিন প্রশাসনে ‘শাটডাউন’ হয়েছিল। সে বছর ৩৫ দিনের জন্য অচল হয়ে পড়েছিল প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সেটাই সবচেয়ে বড় ‘শাটডাউন’। সেই ঘটনার সাত বছরের মাথায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদেও আবার মার্কিন প্রশাসনে শাটডাউন ঘোষণা করা হল। এর ফলে বিমানযাত্রা থেকে শুরু করে বিনিয়োগ, গবেষণা— বহু ক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে। বহু সরকারি কর্মীর বেতনও বন্ধ হয়ে যাবে। তবে জরুরি পরিষেবাগুলি সচল থাকবে।
মার্কিন মুলুকে আর্থিক বর্ষ শুরু হয় ১ অক্টোবর থেকে। চলে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সেই হিসাব অনুযায়ী মঙ্গলবারই ছিল চলতি অর্থবর্ষের শেষ দিন। মার্কিন সরকারের জন্য বরাদ্দ তহবিলের মেয়াদ ওই দিনই শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে নতুন করে অর্থ বরাদ্দ না হওয়ায় শাটডাউন ঘোষণা করা হল।
কেন শাটডাউন? মার্কিন সেনেটে পেশ হওয়া নতুন বিলে একমত হতে পারেনি রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটরা। মার্কিন সেনেটে মোট সদস্য ১০০। সরকারি তহবিল সংক্রান্ত বিল পাশ করাতে অন্তত ৬০টি ভোট প্রয়োজন হয়। কিন্তু সেনেটে রিপাবলিকান সদস্যদের সংখ্যা ৫৩। ফলে আরও ৭টি ভোট দরকার। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা সমর্থন না দেওয়ায় বিলটি পাশ করানো যায়নি। তহবিল সংক্রান্ত আলোচনায় উন্নতি না-হওয়ায় ডেমোক্র্যাটদেরই নিশানা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইতিমধ্যে ট্রাম্প বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের হুমকি দিয়েছেন। শাটডাউনের পক্ষে সাফাই গেয়ে তিনি বলেন, ‘শাটডাউনের ভাল দিক হচ্ছে, আমরা যেগুলো চাই না, তেমন অনেক জিনিস বাদ দিতে পারি। ডেমোক্র্যাটদের ছাঁটাই করা হবে।’
