ওঙ্কার ডেস্ক: তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে প্রভাব খাটিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলা হয়েছে। দিল্লির একটি আদালত কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেত্রী সনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে সেই বিষয়ে ফৌজদারি মামলা দায়েরের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য অভিযোগ করেন, কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগেই তাঁর নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে এই দাবি করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আঁতাত করে তৎকালীন সময়ে এই কাজ করেছে হাত শিবির।
১৯৪৬ সালে ইতালিতে সনিয়া গান্ধীর জন্ম। পরিবার তাঁর নাম রেখেছিল সনিয়া মাইনো। কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর ১৯৬৮ সালে তিনি রাজীব গান্ধীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। গান্ধী পরিবারের সদস্য হয়ে সনিয়া ভারতে চলে আসেন। বিজেপির অভিযোগ, ১৯৮০ সালে লোকসভা ভোটের আগে প্রথম বার নয়াদিল্লি কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে কমিশনের তালিকায় তাঁর নাম ওঠে। পদ্ম শিবিরের দাবি, ১৯৮৩ সালে সনিয়া ভারতের নাগরিকত্ব পান। অথচ ভারতীয় নাগরিক না হলে কারোর নাম ভোটার তালিকায় ওঠার কথা নয়।
বিজেপি নেতা অমিত মালব্য লিখেছিলেন, ‘এটি স্পষ্ট ভাবে আইনের লঙ্ঘন। ভারতীয় নাগরিক হলে তবেই ভোটার হিসাবে এক জন নিবন্ধিত হতে পারেন। ১৯৮২ সালে বিতর্ক ও সমালোচনার জেরে সনিয়ার নাম তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার পর তাঁর নাম ফের তালিকায় ওঠে।’ এই বিষয়ে এ বার আদালত মামলা খারিজ করে দিল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বড়সড় স্বস্তি পেলেন কংগ্রেস নেত্রী।
