ওঙ্কার ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের অযৌক্তিক শুল্ক আরোপ নিয়ে এবার ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় শানলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদামির পুতিন। পুতিনের কথায় ভারত এবং চিনের মত শক্তশালী দেশকে শুধুমাত্র নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে্র জন্য বারবার এভাবে আঘাত করতে পারেনা। এর ফল দীর্ঘস্থায়ী হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাজারে।
চিনে এসসিও সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, “ভারতের উপর আমেরিকা ঔপনিবেশিক আমলের মত আচরন করছে। যা একেবারে গ্রাহ্য নয়”। শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “ভারত এবং চিনের মত মজবিত দেশ কে এভাবে দুর্বল করার প্রয়াস করতে পারে না। আমেরিকা দুই দেশের ব্যাপারে এই ভাবে কথা বলতে পারে না”।
উল্লেখ্য, রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল তেল কেনার অপরাধে ভারতের উপর ২৫% শুল্ক এবং পরে আরও ২৫% জরিমানা চাপিয়েছে। গত মাস থেকে আমেরিকায় দেশি পন্য রফতানিতে ৫০% শুল্ক গুনতে হচ্ছে ভারতীয় ব্যাবসায়ীদের। ৫০% ট্যারিফ চাপিয়ে ক্ষ্যন্ত হননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বারবার ভারতকে নিশানা করে একাধিক মন্তব্য করে চলেছেন নানা সাংবাদিক বৈঠকে, নিজের সোশ্যল মিডিয়াতে। আবার ভারতের উপর আরও শুল্ক চাপানোর হুমকিও দিচ্ছেন অনবরত।
এদিকে ট্রাম্পের নিজের দেশের সাধারন মানুষ একপ্রকার অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ভারতের সঙ্গে এই শুল্ক যুদ্ধের ফলে। কারন এই অতিরিক্ত শুল্কের বোঝ বইতে হচ্ছে আমেরিকার সাধারন মানুষদের। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে তারা। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বড়বড় আধিকারকরা খোলাখুলি ট্রাম্পের এই সিধান্তের সমালোচনা করেছেন। ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আখিরে আমেরিকারই বিপরিতে যাবে সেটাবারবার মনে করালেও সেদিকে নজর দিতে নারাজ ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার যুক্তিতে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ আবহে রাশিয়া থেকে তেল কিনে পরোক্ষ ভাবে ভারত সেই যুদ্ধে বিনিয়োগ করছে। আর সেই অপরাধেই ভারত এখন চক্ষশূল ট্রাম্পের। কিন্তু ট্ট্রাম্পের হুঁশায়ারিকে তোয়াক্কা না করে বলা ভালো চ্যালেঞ্জ করে ভারত এবন চিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন পুতিন।
