
ওঙ্কার ডেস্ক: সংশোধিত ওয়াকফ বিল সংসদের উভয় কক্ষে পাশ হয়ে গিয়েছে। মোদী সরকার এবার বিলটি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পাঠাবে। দেশের সাংবিধানিক প্রধান সেই বিলে সই করলে তা আইনে পরিণত হবে। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় বিরোধীদের আপত্তি কানে তোলেনি কেন্দ্রের শাসকজোট। এবার এই বিলের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গেল দিল্লি ওয়াকফ বোর্ড।
দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা আপ বিধায়ক আমানতুল্লাহ খান। তাঁর দাবি মোদী সরকার যে ওয়াকফ বিল পাশ করিয়েছে তাতে স্পষ্ট ভাবে মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার খর্ব করবে। এই বিলের ফলে মুসলিমরা দাতব্য প্রতিষ্ঠান চালানোর অধিকার হারাবে।
উল্লেখ্য, সংশোধিত ওয়াকফ বিলের বিরোধিতা করে ইতিমধ্যে দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (মিম)-এর নেতা তথা সাংসদ আসাদুদ্দিন ওয়েইসি।
প্রসঙ্গত, আইন সংশোধন করে ১৯৯৫ সালে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা অনেকটাই বাড়িয়েছিল ভারত সরকার। কিন্তু ৩০ বছর পর নরেন্দ্র মোদীর সরকার তৃতীয় বার ক্ষমতায় এসে যে বিল পাশ করাল, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা বদলে যাবে এর ফলে। নতুন এই বিল আইনে পরিণত হলে কোনও সম্পত্তি ওয়াকফ কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জেলাশাসক বা সম পদমর্যাদার আধিকারিক। দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের দাবি এর ফলে মুসলিমরা অধিকার হারাবে। এখন শীর্ষ আদালত এই বিল নিয়ে কী রায় দেয় সেদিকেই তাকিয়ে সংখ্যালঘুরা।