ওঙ্কার ডেস্ক: পড়ে গেছে বাংলা বছরের শেষ মাস চৈত্র। মনে আছে, ছোটবেলায় বসন্ত ঋতু রচনায় পড়েছিলাম ফাল্গুন – চৈত্র দুটি মাস নিয়ে বসন্ত! কিন্তু এখন মনে হয় সেইসব পড়াশুনার সাথে বাস্তবের কোনো সম্পর্কই নেই। কারণ ঋতু তার যা রঙ্গ দেখাচ্ছে রাজ্যবাসীকে, তাতে কার্যত ভুলে যাওয়ার উপক্রম কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক।
চৈত্র মাস মানেই হুজুগ প্রিয় মানুষদের কাছে কেনাকাটা করা। একবার কল্পনা করে দেখুন তো ভিজে ছাতা নিয়ে, কর্দমাক্ত রাস্তায় কেনাকাটা করা কতটা বিরক্তিকর!
কারণ ভরা বসন্তে ভিজবে তিলোত্তমা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা কোথাও নেই। তবে বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে। কোথাও কোথাও ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। বেশ কয়েকটি জেলায় ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
তবে সোমবার দুর্যোগ বাড়বে। ওই দিন কলকাতাতেও কোথাও কোথাও ঝোড়ো হাওয়ার বেগ পৌঁছে যেতে পারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে। দক্ষিণের বাকি জেলাগুলিতেও একই পূর্বাভাস রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পাঁচটি জেলায় সোমবার ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। সেই তালিকায় আছে হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম। এই জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও দুর্যোগ চলবে। চলবে ভারী বর্ষণ। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের উত্তরাংশ থেকে ছত্তীসগঢ় হয়ে দক্ষিণ ওড়িশা পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। তার প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে তাই ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখী সম্ভাবনা থাকছে।
