ওঙ্কার ডেস্ক: উপার্জনের ক্ষেত্রে ভারতে অসাম্য কমেছে। বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুসারে, ভারতের গিনি সূচক ২৫.৫। যা স্লোভাক প্রজাতন্ত্র, স্লোভেনিয়া এবং বেলারুশের পরে। বিশ্বের চতুর্থ সর্বাধিক সাম্য দেশ ভারত। বিশাল ভূখণ্ডের এবং বৈচিত্র্য সম্পন্ন এই দেশের জন্য যা একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন বলে মত আন্তর্জাতিক অর্থনীতি পর্যবেক্ষকদের।
বিশ্বব্যাঙ্কের এই রিপোর্টে ফুটে উঠেছে ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি। এই সাফল্যের পিছনে দারিদ্র্য হ্রাস এবং সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রয়েছে এমন মানুষদের কাছে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য অনুসারে, ভারতের গিনি সূচক ২৫.৫। এটি আপেক্ষিক দিক থেকে চিনের ৩৫.৭ এর চেয়ে অনেক কম। যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গিনি সূচক ৪১.৮। উপার্জনে অসাম্য দূরীকরণে চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকেও এগিয়ে ভারত। প্রসঙ্গত, গিনি সূচক সবচেয়ে কম হয় যে দেশের ক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট দেশটিতে অসাম্য তত কম।
ভারত ‘মাঝারিভাবে নিম্ন’ অসাম্যের শ্রেণিভুক্ত। এই শ্রেণির গিনি সূচক ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে। ‘নিম্ন অসাম্য’ শ্রেণিভুক্ত হওয়া থেকে সামান্য দূরে রয়েছে ভারত। উপার্জনে অসাম্য দূরীকরণে সবচেয়ে এগিয়ে আছে স্লোভাক প্রজাতন্ত্র। এই দেশটির গিনি সূচক ২৪.১। তার পরে রয়েছে স্লোভেনিয়া। এই দেশটির গিনি সূচক ২৪.৩। এ ছাড়াও ২৪.৪ গিনি সূচক নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেলারুশ। পাশাপাশি বিশ্বব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুসারে, গত এক দশকে ১৭১ মিলিয়ন ভারতীয় চরম দারিদ্র্য সীমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন।
