ওঙ্কার ডেস্কঃ আমেরিকা ইরানের কূটনৈতিক পরিস্থিতি ভালো নয়। উত্তপ্ত দুই তরফই। একদিকে আমেরিকা সেনা সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি করছে তো অন্যদিকে ইরানও প্রস্তুত হচ্ছে বেগতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে। এমন অবস্থায় আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার ‘খারাপ কিছু ঘটার’ হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরানকে বোঝাপড়ায় বসার আহ্বান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুধু তাই নয়, বোঝাপরা করার জন্য সময়ও বেঁধে দিলেন।
বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে বোর্ড অফ পিস-এর সদস্যদের প্রথম বৈঠক ছিল। ওই বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “কয়েক বছর ধরে এটা প্রমাণিত যে, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বোঝাপড়ায় আসা সম্ভব নয়। আমাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ বোঝাপড়ায় আসতে হবে। না হলে খারাপ কিছু ঘটতে চলেছে। ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ইরানের অবশ্যই বোঝাপড়ায় আসা উচিত। না হলে খারাপ কিছু ঘটবে”। তবে ‘খারাপ কিছুর’ ঠিক কী তার ব্যাখ্যা দেননি ট্রাম্প।
ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি আমেরিকার না পসন্দ। ইরানের পাল্টা দাবি, নিজেদের সার্বভৌম অধিকার অনুযায়ী তারা আমেরিকার কথায় এই কর্মসূচি বন্ধ করবে না। এই পরিস্থিতিতে একাধিক বার সুর চড়িয়েছে আমেরিকা। বার বার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সম্ভাব্য মার্কিন হানার কথা মাথায় রেখে দেশের পরমাণুকেন্দ্রগুলিকে সুরক্ষিত রাখছে ইরানও। মার্কিন সংস্থা ‘ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিয়োরিটি’ উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে দাবি করেছে, গুরুত্বপূর্ণ পরমাণুকেন্দ্রগুলিতে নিরাপত্তা বন্দোবস্ত আঁটোসাঁটো করছে তেহরান। বাঙ্কার দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে সেগুলিকে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং সিবিএস সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহের শেষেই ইরানে হানা দিতে ‘প্রস্তুত’ মার্কিন সেনা! তবে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা সরাসরি সামরিক সংঘাতে যাবে কি না, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
