ওঙ্কার ডেস্কঃ ভোটের আগে বাংলার রাজ্য প্রশাসনে একের পর এক বদল। বাংলায় বিধানসভা ভোটের আগে এই বদল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। এবার এই অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
শুক্রবার প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই আইপিএস, আইএএসদের বদলি করা হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে মামলায় পার্টি করার আবেদনও করা হয়েছে। আগামী সোমবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা।
রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন শীর্ষ আধিকারিকদের বদল, তা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছিলেন মমতা। কিন্তু তারপরও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। ভোট ঘোষণার পর ৭২ ঘন্টায় মোট ৪৩ জন আধিকারিককে বদল করেছে কমিশন। গত মঙ্গলবার প্রার্থী ঘোষণার দিনেও বিজেপি এবং কমিশনকে একযোগে আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনাদের অনেক পরিকল্পনা, অনেক চক্রান্ত আছে। কিন্তু মনে রাখবেন, যাদের বদলি করেছেন, সবাই আমাদের অফিসার।’
ভোট ঘোষণার দিন রাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক পুলিশ কর্তাকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এমনকী কলকাতা পুলিশ কমিশনার, ডিজি-সহ একাধিক জেলার পুলিশ সুপারকেও রাতারাতি বদল করার নির্দেশ দেয় কমিশন। সরানো হয়েছে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি এবং জলপাইগুড়ির রেঞ্জের ডিআইজিকে। বদলি নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে। এবার সেই ইস্যুতেই হাইকোর্টে গেলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
