ওঙ্কার ডেস্ক: বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে বিএনপি। বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি আওয়ামী লীগকে। গত ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার দল। ওই বছরেই দেশ ছেড়েছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে বিএনপি সে দেশে ক্ষমতায় আসার পরে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কী আচরণ করা হবে সেই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিলেন বাংলাদেশের ভাবী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে তারেক রহমানকে প্রশ্ন করা হয়, আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘বাংলাদেশের অনেক মানুষ আওয়ামী লীগের সমর্থক। তাদের সঙ্গে কী ধরণের আচরণ করবে সরকার?’ স্বল্পভাষী তারেক রহমান উত্তর দেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করা’। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণবিক্ষোভের পর আওয়ামী লীগের বহু সমর্থক আড়ালে চলে গিয়েছেন। আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়ায় অনেকে ফৌজদারি অভিযোগের মুখে পড়েছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, সদ্য হওয়া বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় দলটির সমর্থকরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)কে সমর্থন করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর স্পষ্ট, আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে ভোটের স্থানান্তর হয়েছে। যারা ভোট দিতে চেয়েছিলেন, তাদের কাছে মূলত বিএনপি-এর বিকল্প ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ প্রয়াত খালেদা জিয়ার দলকে বেছে নিয়েছিলেন।
