ওঙ্কার ডেস্কঃ ‘প্রশ্নের বিনিময়ে ঘুষ’ মামলায় মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর চার্জশিট পেশের উপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। স্বস্তিতে তৃণমূল সাংসদ। শুক্রবার শীর্ষ আদালত এই মামলায় মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের জবাবদিহি চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে। জবাবদিহি চেয়ে নোটিশ পাঠানো হয়েছে মহুয়া মৈত্র এবং সিবিআই-কেও।
গত ১২ নভেম্বর মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই-কে চার্জশিট জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল লোকপাল। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন মহুয়া মৈত্র। দিল্লি হাই কোর্ট গত ২১ নভেম্বর স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। কিন্তু ১৯ ডিসেম্বর মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই চার্জশিট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ‘লোকপালের বিবেচনার’ উপর ন্যস্ত করে।
এর পরে লোকপালের আবেদনে দু’মাস সময়সীমা বৃদ্ধি করলেও সিবিআই চার্জশিট পেশে ব্যর্থ হয়। জানুয়ারিতে দিল্লি হাই কোর্ট আর সময়সীমা বাড়ায়নি। তার পরেই লোকপাল সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ লোকপাল আইনের ২০ নম্বর ধারায় দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশে ‘লোকপালের বিবেচনাধীন’ অংশটিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, লোকসভার সদস্য থাকাকালীন দুবাইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে তিনি সংসদে প্রশ্ন করেছিলেন। নিশানা করেছিলেন শিল্পপতি গৌতম আদানিকে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অস্বস্তিতে ফেলার জন্যই মহুয়া এই কাজ করেছিলেন বলে অভিযোগ জানিয়ে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে মহুয়াকে সাংসদপদ থেকে বরখাস্ত করার দাবি তুলেছিলেন সাংসদ নিশিকান্ত।
এ ছাড়া, তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন তাঁর প্রাক্তন বান্ধব জয় অনন্ত দেহাদ্রাইও।
